1. a.hossainmcj@gmail.com : Akter Hossain : Akter Hossain
  2. Gram.bangla@yahoo.com : bigboss : Tanjim
  3. billal.mcj1@gmail.com : Billal Hosen : Billal Hosen
  4. mdkutubcou@gmail.com : গ্রাম বাংলা ডেস্ক : গ্রাম বাংলা ডেস্ক
  5. sanymcj@gmail.com : GramBanglaBD : Gram Bangla
  6. muhaimin.mcj@yahoo.com : Gram Bangla : Muhaimin Noman
  7. mohiuddinrasel1922@gmail.com : Mohi Uddin Rasel : Mohi Uddin Rasel
  8. rayhan.mcj@gmail.com : Abu Bakar Rayhan : Abu Bakar Rayhan
ঈদের পরদিন ভক্তদের গান শোনাবেন মাহফুজুর রহমান - দৈনিক গ্রাম বাংলা    
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২০, ০৯:১৯ অপরাহ্ন

ঈদের পরদিন ভক্তদের গান শোনাবেন মাহফুজুর রহমান

  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২০
  • ১৭২ বার পঠিত

বিনোদন ডেস্কঃ

বাংলাদেশের মিডিয়া জগতের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব ড. মাহফুজুর রহমান। তারই উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত দেশের প্রথম বেসরকারী স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল এটিএন বাংলা বিশ্ব বাঙালীর কাছে তুলে ধরছে এদেশের ঐতিহ্য, কৃষ্টি ও সংস্কৃতিকে।

চ্যানেলটি প্রতিষ্ঠার পর থেকেই তারুণ্যের উচ্ছাসকে তিনি এগিয়ে নিচ্ছেন এটিএন বাংলার মাধ্যমে। তার অনুপ্রেরণায় তৈরি হচ্ছে নতুন নতুন গানের শিল্পী।

সঙ্গীতের প্রতি তার রয়েছে অসম্ভব ভালোবাসা। আর তাইতো নিজেই যুক্ত হয়েছেন গানের ভুবনে। তার গাওয়া গান নিয়ে ২০১৬ সালের কোরবানীর ঈদে প্রচার হয় ‘হৃদয় ছুঁয়ে যায়’ শিরোনামের অনুষ্ঠান।

পরবর্তী বছর রোজার ঈদে প্রচার হয়েছে সঙ্গীতানুষ্ঠান ‘প্রিয়ারে’ এবং কোরবানীর ঈদে প্রচার হয় একক সঙ্গীতানুষ্ঠান ‘স্মৃতির আল্পনা আঁকি’, ‘মনে পড়ে তোমায়’ এবং ‘বলোনা তুমি কার’।

গত বছর প্রচার হয় ‘মন থেকে রইলো শুভ কামনা’ এবং ‘একইতো আকাশ দেখি’। এ বছর ঈদ উল ফিতরে প্রচার হয় শিল্পীর একক সঙ্গীতানুষ্ঠান ‘ হিমেল হাওয়া ছুঁয়ে যায় আমায়’।

এবার ঈদেও তার গাওয়া গান নিয়ে ঈদের পর দিন রাত ১০.৩০ মিনিটে প্রচার হবে একক সঙ্গীতানুষ্ঠান ‘এক পৃথিবী স্বপ্ন দিলে’।

এবারের অনুষ্ঠানে রয়েছে মোট ১০টি গান। অ্যালবামের গানগুলোতে সুরারোপ করেছেন মান্নান মোহাম্মদ ও রাজেশ ঘোষ।

গানের কথা লিখেছেন নাজমা মোহাম্মদ, রাজেশ ঘোষ এবং ড. মাহফুজুর রহমান। অ্যালবামে রয়েছে উত্তর দিও, মন ওরে মন, মনে পড়ে, শুধু তুমি, তোমাকে চাই, এক পৃথিবী স্বপ্ন, এখনো রাত জেগে, আকাশের চাঁদ, তোমার মনের মাঝে এবং আজ আমার জন্মদিন চাই শিরোনামের গান।

আরও পড়ুন

চাঁদপুরে বেড়েছে ইলিশের সরবরাহ

গ্রাম বাংলা ডেস্ক

চাঁদপুরের বাজারে বাড়তে শুরু করেছে ইলিশের সরবরাহ। এখন সাগরের ইলিশে ভরপুর চাঁদপুর বড়স্টেশন মাছ বাজার। স্থানীয় মাছ তেমন না থাকলেও সোমবারও এ বাজারে উঠেছে প্রায় ৭০০ মন ইলিশ। এতে করে ক্রেতা, বিক্রেতা ও শ্রমিকদের কর্মব্যস্ততায় বড়স্টেশন মাছ বাজার এখন সরগরম।

বড়স্টেশন মাছ বাজারের আড়ৎদাররা জানান, প্রায় এক মাস আগে এখানে ৫শ’ মন ইলিশ উঠতো। গত সপ্তাহে এ বাজারে এক থেকে দুই হাজার মন ইলিশের আসে। তারা জানান, মাছের সরবরাহ বাড়ায় দামও কিছুটা কমেছে।

সোমবার চাঁদপুর বড়স্টেশন মাছ বাজারে গিয়ে দেখা যায়, নোয়াখালী, হাতিয়া, সন্দীপ, ভোলা, বরিশালসহ সাগর অঞ্চল থেকে কয়েকটি ফিশিং বোটে চাঁদপুর মাছ ঘাটে এসেছে। প্রতিটি বোটে রয়েছে ৫০ থেকে ১০০ মণ ইলিশ।

সড়ক পথেও আসছে পিকআপ ও ট্রাকভর্তি ইলিশ। এসব ইলিশ আনলোড করে আড়তের সামনে রেখে ডাক তুলছেন ব্যবসায়ীরা। ক্রেতারা বলছেন, মাছের সরবরাহ বাড়লেও দাম তেমন কমেনি।

হাজীগঞ্জ থেকে মাছ কিনতে আসা জাহিদ হাসান বলেন, আমি এক কেজি ওজনের দশটি মাছ কিনেছি ১০ হাজার টাকা দিয়ে। এগুলো লোকাল মাছ না। লোকাল মাছের দাম আরও বেশি।

কুমিল্লা থেকে ইলিশ কিনতে আসা আল-আমিন বলেন, চাঁদপুরকে বলা হয় ‘ইলিশের বাড়ি’। অথচ এখানে এসে দেখলাম চাঁদপুরের মাছ খুবই কম। এখানে সবই উপকূলীয় এলাকার মাছ। দামও বেশি মনে হচ্ছে।

চাঁদপুর বড়স্টেশন মাছ বাজারের ইউসুফ বন্দুকসী আড়তের সত্ত্বাধিকারী মো. নাদিম বলেন, চাঁদপুরের বাজারে এখন হাতিয়ার মাছই বেশি আসছে। লোকাল মাছের আমদানি খুবই কম।

তিনি জানান, সোমবার এ বাজারে ২ কেজি ওজনের প্রতি কেজি ইলিশ বিক্রি হয়েছে ২ হাজার টাকা, এক কেজি ৫শ গ্রামের ইলিশ প্রতি কেজি ১২৫০ থেকে ১৩০০ টাকা, এক কেজি সাইজের মাছ ১ হাজার টাকা, ৭শ-৮শ’ গ্রামের মাছ ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা এবং ৫শ-৬শ’ গ্রামের ইলিশ বিক্রি হয়েছে ৬৫০ থেকে ৭০০ টাকা দরে।

চাঁদপুর বড়স্টেশন মাছ বাজারের আড়তদার ইমান হোসেন গাজী বলেন, গত এক মাস আগে থেকে নদীর মাছের আমদানি কিছুটা বেড়েছে। মাছ আসছে নেয়াখালী, লক্ষ্মীপুর এলাকা থেকেও।

তিনি বলেন, এক সপ্তাহ আগে এক থেকে দুই হাজার মন ইলিশের আমদানি হয়েছে। এখন প্রতিদিন প্রায় ৮০০ মন ইলিশ আমদানি হচ্ছে। ঈদের আগে ইলিশের আমদানি আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

তিনি জানান, দুই কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে মন প্রতি ১ লাখ টাকা, দেড় কেজি ওজনের মাছ ৫০ হাজার টাকা, এক কেজি ওজনের ইলিশ ৩৮ হাজার টাকা, ৭শ গ্রামের ইলিশের মন ৩২ হাজার টাকা, ৫শ গ্রামের ইলিশের প্রতি মন ২২ হাজার টাকা।

বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনিস্টিটিউটের (নদীকেন্দ্র) চিফ সায়েন্টিফিক অফিসার (মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা) ড. আনিছুর রহমান বলেন, এ বছর করোনার কারণে পানির গুণাগুণ ভালো আছে। দূষণ অনেক কম হওয়ায় মাছগুলো ভালো খাদ্য পেয়েছে। আশা করছি, এবার মাছের উৎপাদন আরও ভালো হবে। এছাড়া এবারের ইলিশ অন্যান্য বছরের তুলনায় বেশি সুস্বাদু হবে।

তিনি বলেন, মেঘনা এবং চাঁদপুর অঞ্চলে চর-ডুবোচরসহ নানা কারণে এখানে ইলিশ কম ধরা পড়ছে। আশা করছি, বৃষ্টিপাত এবং পানি প্রবাহ বাড়লে আগস্ট, সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসে এ অঞ্চলেও প্রচুর ইলিশ ধরা পড়বে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..