1. a.hossainmcj@gmail.com : Akter Hossain : Akter Hossain
  2. Gram.bangla@yahoo.com : bigboss : Tanjim
  3. billal.mcj1@gmail.com : Billal Hosen : Billal Hosen
  4. mdkutubcou@gmail.com : গ্রাম বাংলা ডেস্ক : গ্রাম বাংলা ডেস্ক
  5. sanymcj@gmail.com : GramBanglaBD : Gram Bangla
  6. muhaimin.mcj@yahoo.com : Gram Bangla : Muhaimin Noman
  7. mohiuddinrasel1922@gmail.com : Mohi Uddin Rasel : Mohi Uddin Rasel
  8. rayhan.mcj@gmail.com : Abu Bakar Rayhan : Abu Bakar Rayhan
উদ্বোধনের আগে ডুবে গেল তিনতলা বিদ্যালয়টি - দৈনিক গ্রাম বাংলা    
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২০, ০৯:৩১ অপরাহ্ন

উদ্বোধনের আগে ডুবে গেল তিনতলা বিদ্যালয়টি

  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২০
  • ১৪৯ বার পঠিত

ডেস্ক রিপোর্ট:

চাঁদপুরের মেঘনা নদীতে বিলীন হওয়ার শঙ্কায় থাকা তিনতলা বিশিষ্ট রাজরাজেশ্বর ওমর আলী উচ্চ বিদ্যালয় উদ্বোধনের আগেই ডুবে গেছে। বিদ্যালয়টি নির্মাণে ব্যয় হয়েছিল প্রায় দুই কোটি ২৯ লাখ টাকা।

আজ বৃহস্পতিবার বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সফিউল্লাহ সরকার জানান, রবিবার থেকে ভবনটি নদীর মধ্যে দাঁড়িয়ে থাকলেও বৃহস্পতিবার সকালে তলিয়ে যায়। এতে করে এ বিদ্যালয়ের পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থীর লেখাপড়া হুমকির মুখে পড়েছে।

এর আগে গত কয়েকদিন ধরেই পদ্মা-মেঘনা নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। নদীর পানি বাড়ায় রাজরাজেশ্বরসহ বিভিন্ন এলাকার চরাঞ্চলে ভাঙন দেখা দেয়। ঝুঁকির মধ্যে পড়ে পদ্মা-মেঘনাবেষ্টিত ওমর আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও আশ্রয় কেন্দ্রটি। কিছুদিন নদীতে টিকে থাকলেও সকালে ভবনের পুরো অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়।

ইউপি সদস্য পারভেজ গজী রনি জানিয়েছেন, বিদ্যালয়টি নির্মাণ শেষে মাত্র দুই মাস আগে ভবনটি কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এটি দুই কোটি ২৯ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়েছে।
ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হযরত আলী বেপারী বলেন, গত বছর জানুয়ারিতে সাইট সিলেকশনের সময় মেঘনা নদী অনেক দূরে ছিল। তখন কেউ ভাবেনি নদী ভাঙতে ভাঙতে ভবনটির কাছে চলে আসবে।

চাঁদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. বাবুল আখতার বলেন, রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নটি চারপাশে পদ্মা-মেঘনা নদী দ্বারা বেষ্টিত। বর্তমানে পদ্মা-মেঘনার পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি বৃদ্ধি ও প্রচণ্ড স্রোতে ভবনটি তলিয়ে গেছে

আরও পড়ুন

মাসিক ১৫ জিবি ডাটা পাচ্ছেন শাবিপ্রবি শিক্ষার্থীরা

ডেস্ক রিপোর্ট

দেশে চলমান কভিড-১৯ এর সংক্রমণ রোধে গত ১৭ মার্চ থেকে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। উচ্চ শিক্ষার সরকারি-বেসরকরি প্রতিষ্ঠানগুলো শিক্ষার্থীদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

তবে ইন্টারনেট খরচের কারণে অনেক শিক্ষার্থী অনলাইন ক্লাসে যুক্ত হতে পারছেন না। সেই সব শিক্ষার্থীদের কথা মাথায় রেখে সব শিক্ষার্থীদের মাসিক ১৫ গিগা বাইট (জিবি) ইন্টারনেট ডাটা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি)।

বুধবার (২২ জুলাই) শাবিপ্রবি’র ২১৭তম সিন্ডিকেট সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গ্রামীণফোনের মাধ্যমে এই ডাটা সুবিধা দেওয়া হবে। এছাড়া অন্যান্য অপারেটর ব্যবহারকারী শিক্ষার্থীদেরও মাসিক ডাটা সুবিধা দেওয়া হবে। এছাড়া শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তা দেওয়ারও সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে একাধিক সিন্ডিকেট সদস্য নিশ্চিত করেছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ বলেন, অনলাইন ক্লাসে শিক্ষার্থীদের শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিত করতেই আমরা শিক্ষার্থীদের আর্থিকসহ লজিস্টিক সাপোর্ট দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সব শিক্ষার্থীদের আমরা ৩০ দিনের জন্য ১৫ জিবি ইন্টারনেট ডাটা প্যাক দেব। তবে এখনই শিক্ষার্থীরা এই সুবিধা পাবেন না। কোরবানি ঈদের পর নতুন করে আলোচনা করে এ সুবিধা দেওয়া হবে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১৯ জুলাই থেকে প্রাথমিকভাবে অনলাইনে পরবর্তী সেমিস্টারের ক্লাস শুরু করেছে শাবিপ্রবি। ঈদুল আজহার পর থেকে পুরোপুরি অনলাইন ক্লাস শুরু করবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। আর এ ক্লাস পরিচালনা করতে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদেরকে নির্দিষ্ট পরিমাণে আর্থিক সহায়তা করতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে উপাচার্য বলেন, যে সকল শিক্ষার্থীর অনলাইন ক্লাসে অংশ নেওয়ার জন্য স্মার্ট ডিভাইস নেই তাদেরকে স্বল্পমূল্যে স্মার্ট কিনে দিতে আমরা আইসিটি মন্ত্রণালয়ের সাথে যোগাযোগ করছি। আশা করি শীঘ্রই এ নিয়ে আমরা একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারবো। আর বিশ্ববিদ্যালয়ের জুনিয়র শিক্ষকদের ক্লাস নেওয়ার যন্ত্রপাতি কেনার জন্য বিনা সুদে ৫০ হাজার টাকা লোন দেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..