1. a.hossainmcj@gmail.com : Akter Hossain : Akter Hossain
  2. Gram.bangla@yahoo.com : bigboss : Tanjim
  3. billal.mcj1@gmail.com : Billal Hosen : Billal Hosen
  4. mdkutubcou@gmail.com : MD Kutub Uddin : MD Kutub Uddin
  5. sanymcj@gmail.com : GramBanglaBD : Gram Bangla
  6. muhaimin.mcj@yahoo.com : Muhaimin Noman : Muhaimin Noman
  7. mohiuddinrasel1922@gmail.com : Mohi Uddin Rasel : Mohi Uddin Rasel
  8. rayhan.mcj@gmail.com : Abu Bakar Rayhan : Abu Bakar Rayhan
এখন থেকে সরকারি হাসপাতালেও করোনা টেস্টে গুনতে হবে টাকা - দৈনিক গ্রাম বাংলা    
রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২০, ০৮:৩৯ অপরাহ্ন

এখন থেকে সরকারি হাসপাতালেও করোনা টেস্টে গুনতে হবে টাকা

  • আপডেট টাইম : রবিবার, ২৮ জুন, ২০২০
  • ৮৮ বার পঠিত

স্বাস্থ্য ডেস্ক:

সরকারি হাসপাতালগুলোতে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষা হয়তো আর থাকছে না। বিনামূল্যে পরীক্ষা বন্ধ করার পরিকল্পনা করছে সরকার। ইতোমধ্যে ফি চালুর ব্যবস্থা সংক্রান্ত প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের হাসপাতাল অনুবিভাগ থেকে পেশ করা হয়েছে।

অর্থাৎ, এই প্রস্তাবটি পাশ হলে নমুনা পরীক্ষার জন্য সরকার নির্ধারিত অংকের টাকা ফি-বাবদ গুনতে হবে। এবিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে সবুজ সংকেত পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

বর্তমানে ব্যয়বহুল এ পরীক্ষা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে করার ফলে পরীক্ষাটির অনেক অপব্যবহার হচ্ছে বলে জানানো হয়। এই অপব্যবহার রোধে একটি মূল্য নির্ধারণ করে দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এমন তথ্য জানানো হয়েছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মতিক্রমে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় করোনা পরীক্ষার ফি নির্ধারণ করছেন। রোববার দেশের একটি প্রথম সারির গণমাধ্যমে খবরে জানা গেছে, সরকারি হাসপাতাল ও বুথে গিয়ে নমুনা পরীক্ষা করালে ২০০ টাকা ফি দিতে হবে। আর বাসায় গিয়ে নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করালে ৫০০ টাকা ফি দিতে হবে।

সংশ্লিষ্ট একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, করোনার কারণে সরকারের আয় অনেক কমে গেছে। একেকটি নমুনা পরীক্ষার পেছনে যে টাকা খরচ হয়, বাংলাদেশের মতো দেশে এটি দুই থেকে তিন মাস বিনামূল্যে করা সম্ভব হয়ে দাড়িয়েছে। কিন্তু দীর্ঘ মেয়াদে একাজ সম্ভব নয়। দেশে যে হারে করোনা সংক্রমণ বাড়ছে, তাতে বোঝা যাচ্ছে দীর্ঘ মেয়াদে নমুনা পরীক্ষা করতে হবে সরকারকে। এ জন্যই সরকার একটি ফি নির্ধারণ করতে যাচ্ছে। দ্বিতীয় কারণ হলো, নমুনা পরীক্ষা করতে গিয়ে কীটের অপব্যবহার হচ্ছে। অনেকের শরীরর করোনার উপসর্গ না থাকলেও সন্দেহ হওয়ারর সাথে সাথে পরীক্ষা করাচ্ছে। সন্দেহ হলেই পরীক্ষা নিরুৎসাহ করার জন্যও এমন সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে সরকার।

চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি থেকে সরকারিভাবে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে আরটি-পিসিআর ল্যাবে করোনা ভাইরাসের নমুনা পরীক্ষা শুরু হয়। প্রথমদিকে শুধু স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানে নমুনা পরীক্ষা করা হতো।

সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় পরবর্তীতে সরকারি বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠান এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে নমুনা পরীক্ষা করানো শুরু হয়। এরই ধারাবাহিকতায় বর্তমানে ৬৬টি সরকারি ও বেসরকারি ল্যাবে নমুনা পরীক্ষা হচ্ছে। সংখ্যাটা আরো বাড়বে বলেও জানা গেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..