1. a.hossainmcj@gmail.com : Akter Hossain : Akter Hossain
  2. Gram.bangla@yahoo.com : bigboss : Tanjim
  3. billal.mcj1@gmail.com : Billal Hosen : Billal Hosen
  4. mdkutubcou@gmail.com : গ্রাম বাংলা : গ্রাম বাংলা ডেস্ক
  5. sanymcj@gmail.com : GramBanglaBD : Gram Bangla
  6. muhaimin.mcj@yahoo.com : Gram Bangla : Muhaimin Noman
  7. mohiuddinrasel1922@gmail.com : Mohi Uddin Rasel : Mohi Uddin Rasel
  8. rayhan.mcj@gmail.com : Abu Bakar Rayhan : Abu Bakar Rayhan
এবার ফসল চাষ শিখতে বিদেশ যাবেন ৪০ কর্মকর্তা - দৈনিক গ্রাম বাংলা    
শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২০, ১২:৫২ পূর্বাহ্ন

এবার ফসল চাষ শিখতে বিদেশ যাবেন ৪০ কর্মকর্তা

  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ২৪ জুলাই, ২০২০
  • ১০৩ বার পঠিত

ডেস্ক রিপোর্টঃ

তেলজাতীয় ফসলের চাষ শিখতে ও মৌ পালনে প্রশিক্ষণ নিতে বিদেশে যাবেন ৪০ কর্মকর্তা। এর মধ্যে তেলজাতীয় ফসলের চাষ শিখতে শিক্ষা সফরে যাবেন ৩৬ কর্মকর্তা। এই সফরের পেছনে ব্যয় হবে এক কোটি ৮০ লাখ টাকা। এ ছাড়া মৌ চাষের ওপর বিদেশে উচ্চতর প্রশিক্ষণ নেবেন আরও চার কর্মকর্তা।

এদের জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ২০ লাখ টাকা। সব মিলিয়ে ৪০ কর্মকর্তার বিদেশ ভ্রমণ বাবদ খরচ হবে ২ কোটি টাকা। মৌ চাষে উচ্চতর প্রশিক্ষণে বিদেশ সফরের ক্ষেত্রে ৩০ জন কর্মকর্তার প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল। কিন্তু পরিকল্পনা কমিশনের আপত্তির কারণে তা কমিয়ে চারজন করা হয়। সেই সঙ্গে পরামর্শকদের বিদেশে শিক্ষা সফরসহ বিভিন্ন খাতের ব্যয় বাদ দেয়া হয়েছে।

‘তেলজাতীয় ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি’ শীর্ষক প্রকল্পে ঘটেছে এমন ঘটনা। কৃষি মন্ত্রণালয়ের এ প্রকল্পটি গত ১৬ জুলাই অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। এটি বাস্তবায়নে ব্যয় হবে ২৭৮ কোটি ২৬ লাখ টাকা। একনেকের জন্য তৈরি প্রকল্পের সারসংক্ষেপ পর্যালোচনা করে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান বলেন, এত খুঁটিনাটি বিষয় দেখা আমার পক্ষে সম্ভব হয় না। তবে প্রকল্পটি অনুমোদন হলেও বিষয়টি দেখার সুযোগ আছে। আমি খতিয়ে দেখব। প্রয়োজনে প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলব।

এ প্রসঙ্গে বিশ্বব্যাংক ঢাকা অফিসের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেন,কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে বর্তমানে রাজস্ব আদায় ব্যাপক হারে কমে গেছে। উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে অর্থের যথেষ্ট সংকট রয়েছে। সরকার ইতেমধ্যে কৃচ্ছ সাধনের জন্য বিভিন্নভাবে খরচ কমানোর উদ্যোগও নিয়েছে। সেখানে এরকম একটি প্রকল্পে বিদেশ সফরের আয়োজন কেন রাখতে হবে সেটিই বড় প্রশ্ন। তাছাড়া উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় বিদেশ ভ্রমণ এখন যেন একটি অপরিহার্য অংশে পরিণত হয়েছে। এই সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।

সূত্র জানায়, প্রকল্পটির প্রস্তাব পাওয়ার পর গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় বলা হয়, ডিপিপিতে (উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব) প্রস্তাবিত মৌ পালনের ওপর কর্মকর্তাদের সার্টিফিকেট কোর্সের সংখ্যা দুই ব্যাচ থেকে যৌক্তিকভাবে বাড়ানো যেতে পারে। তবে এ বিষয়ে বিদেশে উচ্চতর প্রশিক্ষণের সংখ্যা ৩০ জন থেকে কমিয়ে ৪ জন করতে হবে। পরবর্তী সময়ে সেটি মেনে নেয় কৃষি মন্ত্রণালয়।

এ ছাড়া প্রকল্পে প্রস্তাবিত ভিডিও ক্যামেরা, ডিএসএলআর ক্যামেরা, পরামর্শকদের বিদেশে শিক্ষা সফর, আনুষঙ্গিক ব্যয়, প্রতিটি উপজেলায় উপ-পরিচালক কর্তৃক বছর শেষে মেন্টরিং ও ফলোআপ আলোচনা, আঞ্চলিক ও জেলা মনিটরিং টিম গঠন করে ডিএইর কার্যক্রম মনিটরিংয়ের প্রস্তাব বাদ দেয়ার পক্ষে মত দেয় পরিকল্পনা কমিশন।

সেই সঙ্গে অর্থ বিভাগের জনবল কমিটির সুপারিশ না থাকায় প্রস্তাবিত ২৫টি যানবাহন ক্রয়ের প্রস্তাবও ডিপিপি থেকে বাদ দিতে বলা হয়। পরিকল্পনা কমিশনের সুপারিশ মেনে মূল প্রকল্প প্রস্তাবে এসব বাদ দিয়ে ডিপিপি সংশোধন করে কৃষি মন্ত্রণালয়। তারপরও মোট ৪০ কর্মকর্তার বিদেশ সফরের আয়োজন রয়েছে।

পিইসি সভায় ডিপিপিতে প্রস্তাবিত এলাকা ডিএইর ১৪টি অঞ্চল অপরিবর্তিত রেখে ৬৪টি জেলার ৪৭৬টি উপজেলার পরিবর্তে সম্ভাবনাময় ২৫০টি উপজেলায় বাস্তবায়নের সুপারিশ করা হয়।

এই পরিপ্রেক্ষিতে ডিপিপিতে প্রস্তাবিত ডেক্সটপ কম্পিউটার, ল্যাপটপ, মাল্টিমিডিয়া, ফটোকপিয়ার, এয়ারকুলার, ওয়াটার ফিল্টার, ভ্রমণ ব্যয়, স্টেশনারি, সিল ও স্ট্যাম্পস, প্রচার ও বিজ্ঞাপন, অডিও/ভিডিও/ডকুমেন্টেশন এবং মুদ্রিত ও প্রকাশনা বাবদ প্রস্তাবিত ব্যয়সহ যন্ত্রপাতি ও ইকুইপমেন্টের সংখ্যা, মূল্য ও ব্যয় যৌক্তিক পর্যায়ে হ্রাস করে নির্ধারণ করতে বলে পরিকল্পনা কমিশন।

চলতি বছর থেকে ২০২৪ সালের জুনের মধ্যে এটি বাস্তবায়ন করবে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের নেতৃত্বে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট, বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট এবং বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন।

প্রকল্পের আওতায় প্রধান কার্যক্রম হচ্ছে, ক্রপিং প্যাটার্নভিত্তিক তেলজাতীয় ফসল আবাদের জন্য ৪০ হাজারটি প্রদর্শনী ক্ষেত স্থাপন করা হবে।

এ ছাড়া প্রদর্শনী বাস্তবায়নের পরবর্তী বছরে অভিযোজনের জন্য গবেষণা প্রতিষ্ঠানের প্রমাণিত উন্নত জাতের ৪ লাখ ২০ হাজার ৭৪৮ কেজি বীজ বিতরণ। তেলবীজ ফসলের প্রজনন ও মানসম্মত বীজ উৎপাদন ও বিতরণ।

জাতীয় উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য বিদ্যমান অবকাঠামোতে গুণগত মানসম্পন্ন ৮৪১ দশমিক ৫৩ টন বোরো, আউশ ধান বীজ ও পাট বীজসহ ২১০ টন মসুর বীজ ও তৈলবীজ উৎপাদন। এ ছাড়া রয়েছে কৃষক প্রশিক্ষণ, কৃষি কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ, মাঠ দিবস এবং কৃষক উদ্বুদ্ধকরণ।

আরও জানুন

বিশ্ব আমাদের কাছ থেকে বন্যা মোকাবিলা শিখতে পারে: তথ্যমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক:

বাংলাদেশের মানুষের জন্য বন্যা নতুন কিছু নয় এবং বন্যা মোকাবিলায় এ দেশের মানুষ তা জানে জানিয়েে তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বন্যা মোকাবিলা কীভাবে করতে হয় তা বিশ্ব আমাদের কাছ থেকে শিখতে পারে।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের তিনি এসব বলেন।

বাংলাদেশসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশে এবার বন্যায় অনেক প্রাণহানি হতে পারে- জাতিসংঘের এমন আশঙ্কার কথা তুলে ধরলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা বন্যা নিয়ে বসবাস করি, বন্যাকে কীভাবে মোকাবিলা করতে হয় বাংলাদেশের মানুষ সেটি জানে। বন্যা আমাদের নিত্যসঙ্গী।

যেসব দেশ বন্যার সঙ্গে পরিচিত নয়, জাতিসংঘের পূর্বাভাস তাদের জন্য অবশ্যই সহায়ক। কিন্তু বাংলাদেশের মানুষ বন্যা নিয়ে বসবাস করে, বন্যা কীভাবে মোকাবিলা করতে হয় সেটি আমাদের জানা এবং আমাদের কাছ থেকে অনেকে বন্যা মোকাবিলা শিখতেও পারে।

করোনা মোকাবিলায় সরকারের ব্যবস্থাপনা বিষয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বিরূপ মন্তব্যের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, মির্জা ফখরুল সাহেব ও বিএনপি নেতারা একই সমালোচনার বাঁশি বহুদিন ধরেই বাজাচ্ছেন, তাদের কাছে একই ঢোলের আওয়াজ আমরা দীর্ঘদিন ধরে শুনে আসছি।

হাছান মাহমুদ বলেন, কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, পৃথিবীতে যে ক’টি দেশে করোনাভাইরাসে মৃত্যুহার খুব কম, তার মধ্যে একটি হচ্ছে বাংলাদেশ। এমনকি ভারত, পাকিস্তানের চেয়েও বাংলাদেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের মধ্যে মৃত্যুর হার অনেক কম। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঠিক নেতৃত্বের কারণেই এটি সম্ভবপর হয়েছে।

বন্যা মোকাবিলায় সরকারের পদক্ষেপগুলোর বিষয়ে বিএনপি নেতাদের সমালোচনার জবাবে হাছান মাহমুদ বলেন, মির্জা ফখরুল সাহেবরা যখন ক্ষমতায় ছিলেন, তখন তারা সঠিকভাবে দুর্যোগ মোকাবিলা করতে পারেননি। সেই ব্যর্থতা আমরা বারংবার দেখেছি। ৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ের সময় তাদের ব্যর্থতা দেখেছি।

তাদের সিদ্ধান্তহীনতা এবং ঘূর্ণিঝড়ের পরে সরকারের সঠিক কার্যক্রমের অভাবে লক্ষ লক্ষ মানুষ মৃত্যুবরণ করেছিল, হাজার হাজার কোটি টাকার সম্পদহানি হয়েছিল।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, তাদের আমলে ২০০৪ সালে বন্যার সময় দেশের মানুষ অনাহারে মৃত্যুবরণ করেছিল, ঢাকা শহরে সমস্ত জায়গায় পানি উঠেছিল। তারা সেই বন্যাও সঠিকভাবে মোকাবিলা করতে পারেনি। তারা যখনই ক্ষমতায় ছিল কোনো দুর্যোগই সঠিকভাবে মোকাবিলা করতে পারেনি।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ উল্লেখ করেন, অপরদিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখনই দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছেন, তার বলিষ্ঠ সাহসী এবং দূরদর্শী নেতৃত্বে সবসময় যেকোনো দুর্যোগ সঠিকভাবে মোকাবিলা করে দেখিয়েছেন এবং সেই সক্ষমতার জন্য তিনি আন্তর্জাতিকভাবেও নানা পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘১৯৯৮ সালে দেশের ৭৫ ভাগ এলাকা পানির নিচে চলে গিয়েছিল, তিন মাস বন্যার পানি ছিল, বাংলাদেশে মানুষ অনাহারে মৃত্যুবরণ করেনি। ২০০৭ সালের সিডর, ২০০৯ সালের আইলাসহ অনেক দুর্যোগের সফল মোকাবিলার কথা সবাই জানেন। ’

তিনি বলেন, আমরা ক্ষমতায় আসার পর গত সাড়ে ১১ বছরে বহুবার বন্যা হয়েছে। এ বছরও ঘূর্ণিঝড় হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্ঘুম রাত কাটিয়ে সেই ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলা করেছেন, মানুষকে ঘূর্ণিঝড়ের হাত থেকে রক্ষা করা, ঘূর্ণিঝড় পরবর্তী সময়ে ত্রাণ তৎপরতা চালিয়ে তাদের রক্ষা করার দায়িত্ব তিনি পালন করেছেন।

খবর: বাসস।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..