1. a.hossainmcj@gmail.com : Akter Hossain : Akter Hossain
  2. Gram.bangla@yahoo.com : bigboss : Tanjim
  3. billal.mcj1@gmail.com : Billal Hosen : Billal Hosen
  4. mdkutubcou@gmail.com : MD Kutub Uddin : MD Kutub Uddin
  5. sanymcj@gmail.com : GramBanglaBD : Gram Bangla
  6. muhaimin.mcj@yahoo.com : Muhaimin Noman : Muhaimin Noman
  7. mohiuddinrasel1922@gmail.com : Mohi Uddin Rasel : Mohi Uddin Rasel
  8. rayhan.mcj@gmail.com : Abu Bakar Rayhan : Abu Bakar Rayhan
চীনে আরেক ভাইরাসের সন্ধান, হতে পারে মহামারি - দৈনিক গ্রাম বাংলা    
রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২০, ০৮:১২ অপরাহ্ন

চীনে আরেক ভাইরাসের সন্ধান, হতে পারে মহামারি

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২০
  • ৪৮ বার পঠিত

গবেষকরা চীনের শূকরের নাকের শ্লেষ্মা থেকে নতুন ধরনের ভাইরাসের সন্ধান পেয়েছেন। চীনে নতুন ধরনের সোয়াইন ফ্লুর খোঁজ পেয়েছেন গবেষকরা। এ ভাইরাসটি ও মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়তে পারে।গতকাল সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞান সাময়িকী প্রসিডিংস অব দ্য ন্যাশনাল একাডেমি অব সায়েন্সে এক নিবন্ধ প্রকাশিত হয়।

এএফপির খবরে জানা যায়, ২০০৯ সালে মহামারির জন্য দায়ী এইচওয়ানএনওয়ান প্রজাতি থেকে জি–ফোর নামের এই ভাইরাস এসেছে। চীনের বিশ্ববিদ্যালয় ও রোগনিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধকেন্দ্রের বিজ্ঞানীগন এই সমীক্ষার লেখক। তাঁরা বলছেন, মানুষকে সংক্রমিত করার মতো সব বৈশিষ্ট্য এ ভাইরাসের আছে।

২০১১ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত গবেষকগণ চীনের ১০টি প্রদেশের কসাইখানা ও একটি পশু হাসপাতাল থেকে শূকরের নাকের শ্লেষ্মা সংগ্রহ করেন। সে স্থানগুলো থেকে ১৭৯ সোয়াইন ফ্লু ভাইরাস পাওয়া যায়। অধিকাংশের মধ্যেই ২০১৬ সাল থেকে শূকরের মধ্যে ছড়িয়ে পড়া সোয়াইন ফ্লু ভাইরাসের নতুন ধরন পাওয়া যায়।

গবেষকেরা ভাইরাস নিয়ে বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষা চালান। ফেরেট নামক পশুর ওপরও গবেষণা চালানো হয়। কারণ, ভাইরাসের আক্রান্ত হওয়ার ফলে এই পশুর শরীরেও মানুষের মতো উপসর্গ দেখা দেয়। উপসর্গের মধ্যে রয়েছে জ্বর, কাশি, হাঁচি।

জি–ফোর অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাস। মানবকোষে এর ব্যাপক ক্ষতিকর প্রভাব রয়েছে। অন্য ভাইরাসের তুলনায় এই ভাইরাস ফেরেটের শরীরে বেশি গুরুতর উপসর্গ তৈরি করে। পরীক্ষায় দেখা গেছে, মৌসুমি ফ্লুতে সংক্রমিত হওয়ার পর মানুষের যে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয়, তা জি–ফোর ভাইরাস থেকে বাচাঁতে পারে না।

রক্ত পরীক্ষা করে দেখা গেছে, শূকরের খামারে কাজ করা ১০ দশমিক ৪ ভাগ কর্মী এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। আর ৪ দশমিক ৪ ভাগ সাধারণ মানুষ এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।

গবেষকেরা বলছেন, এই ভাইরাস প্রাণী থেকে মানবশরীরকে আক্রান্ত করতে পারে। এটি মানুষ থেকে মানুষে সংক্রমিত হয় কি না, এর কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এটিই গবেষকদের চিন্তার বিষয়।

প্রকাশিত ওই সমীক্ষায় গবেষকেরা বলছেন, এই ভাইরাস মানুষের শরীরে সংযোজিত হতে পারে। এভাবে মহামারি আকার ধারন করতে পারে। গবেষকেরা শূকরদের সংস্পর্শে থাকে—এমন লোকজনদেরকে নজরদারিতে রাখতে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটারিনারি মেডিসিন বিভাগের প্রধান জেমস উড বলেন, বন্য প্রাণীর সঙ্গে যেসব মানুষের যোগাযোগ বেশি, তাদের মাধ্যমে মহামারি বিস্তার লাভ করতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..