1. a.hossainmcj@gmail.com : Akter Hossain : Akter Hossain
  2. Gram.bangla@yahoo.com : bigboss : Tanjim
  3. billal.mcj1@gmail.com : Billal Hosen : Billal Hosen
  4. mdkutubcou@gmail.com : গ্রাম বাংলা ডেস্ক : গ্রাম বাংলা ডেস্ক
  5. sanymcj@gmail.com : GramBanglaBD : Gram Bangla
  6. muhaimin.mcj@yahoo.com : Gram Bangla : Muhaimin Noman
  7. mohiuddinrasel1922@gmail.com : Mohi Uddin Rasel : Mohi Uddin Rasel
  8. rayhan.mcj@gmail.com : Abu Bakar Rayhan : Abu Bakar Rayhan
ছাত্রলীগ নেতার উদ্যোগ, এতিমের ধান ঘরে তুলে দিলো গ্রামবাসী - দৈনিক গ্রাম বাংলা    
সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:৪০ পূর্বাহ্ন

ছাত্রলীগ নেতার উদ্যোগ, এতিমের ধান ঘরে তুলে দিলো গ্রামবাসী

  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২ মে, ২০২০
  • ৫৫৩ বার পঠিত

বিল্লাল হোসেন:

জমিতে নষ্ট হচ্ছে পাকা ধান। কেটে ঘরে তুলবার তুলছে পারছে না। বাবার অকাল মৃত্যুতে ভেঙ্গে পড়েছে পরিবারটি দেশের ক্রান্তিলগ্নে উপার্জনও ব্যাহত হচ্ছে তার। এমতাবস্থায় এগিয়ে এলেন প্রতিবেশীরা। ধান কেটে ঘরে তুলে দেন তারা।বলছিলাম কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলার ধামঘর পশ্চিম পাড়ার হোরন মিয়ার ছেলে মনিরের কথা।

বাবার অকাল মৃত্যুতে অসহায় হয়ে পড়ে তার পরিবার। অন্যের জমিতে বর্গাচাষী ও অবসরে রিকসা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন তারা। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তির মৃত্যুতে হতাশার ছাপ নেমে আসে সবার মাঝে। ছয় মেয়ে এক ছেলের পরিবারের শেষ সম্বল হোরন মিয়ার ছেলে মনির হোসেন।বাবার সাথে মাঝেমধ্যে রিকসা চালাতেন মনির হোসেন। পুরো পরিবারের দায়িত্ব তাকে নিতে হচ্ছে। একদিকে পরিবার অন্যদিকে বাবার রেখে যাওয়া বর্গাজমির ধান নিয়ে চিন্তায় পড়ে যায় মনির।

এমন সময় মনিরের মুখে হাসি ফোটাতে এগিয়ে আসে প্রতিবেশিরা। ধামঘর ইউনিয়নের ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি হাছান রবিনের উদ্যোগে এলাকার সবাই মিলে তার জমির ধান কেটে বাড়িতে পৌছে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। গত বৃহস্পতিবার বিকাল তিনটায় সবাই মিলে নেমে পড়ে মনিরের জমিতে। ধান কেটে পৌঁছে দেন তার ঘরে।আজ শনিবার মনিরের বাকি জমির ধান ঘরে তুলা শেষ হবে।

প্রতিবেশিদের এমন মহানুভবতায় মুগ্ধ মনির। মনির বলেন, আমার বাবার মৃত্যুতে পরিবারের সংকট মুহুর্তে আমার প্রতিবেশিরা যেভাবে পাশে দাড়িয়েছেন তা আমি কোনদিন ভুলব না। আমিও সারাজীবন মানুষের জন্য কাজ করে যাব। সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি। তিনি আরো বলেন, প্রতিবেশিরা আমার যে পরিমান জমির ধান কেটে বাড়িতে পৌছে দিচ্ছেন সেখানে আমার প্রায় ১৫-১৬ হাজার টাকা খরচ হত। যা এই মুহুর্তে আমার জন্য খুবই কষ্টসাধ্য ছিল।

ভাল কাজে সবাইকে নিয়ে অসহায় মানুষের পাশে থাকতে চায় হাসান রবিন। তিনি বলেন, প্রতিবেশির কল্যাণে সবাই এগিয়ে আসবে এটাই স্বাভাবিক। আমিও এর ব্যাতিক্রম নই। তাই সবাইকে নিয়ে এই অসচ্ছল পরিবারের পাশে দাড়াতে পেরে খুবই ভাল লাগছে। কোন শো-আপ ছাড়াই যেন মানুষের কল্যাণে কাজ করে যেতে পারি সেই চেষ্টাই করব।আমার ডাকে সাড়া দিয়ে যারা হোরন কাকার পরিবারের পাশে দাড়িয়েছেন তাদের সবার প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..