1. a.hossainmcj@gmail.com : Akter Hossain : Akter Hossain
  2. Gram.bangla@yahoo.com : bigboss : Tanjim
  3. billal.mcj1@gmail.com : Billal Hosen : Billal Hosen
  4. mdkutubcou@gmail.com : MD Kutub Uddin : MD Kutub Uddin
  5. sanymcj@gmail.com : GramBanglaBD : Gram Bangla
  6. muhaimin.mcj@yahoo.com : Muhaimin Noman : Muhaimin Noman
  7. mohiuddinrasel1922@gmail.com : Mohi Uddin Rasel : Mohi Uddin Rasel
  8. rayhan.mcj@gmail.com : Abu Bakar Rayhan : Abu Bakar Rayhan
জুলাই থেকে খুলছে কুয়াকাটার আবাসিক হোটেল - দৈনিক গ্রাম বাংলা    
রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২০, ০৭:০৯ অপরাহ্ন

জুলাই থেকে খুলছে কুয়াকাটার আবাসিক হোটেল

  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২০
  • ৪৬ বার পঠিত

গ্রামবাংলা ডেস্ক:

সাগরকন্যা কুয়াকাটায় দীর্ঘ সাড়ে তিন মাস পর করোনাভাইরাস চলাকালে স্বাস্থ্যবিধি মেনে আবাসিক হোটেল-মোটেলসহ পর্যটননির্ভর ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান খোলার অনুমতি দিয়েছেন পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক।

করোনাভাইরাস চলাকালীন সময়ে সকল হোটেল মোটেল বন্ধ থাকায় গতকাল পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক সাগরকন্যা খ্যাত এ পর্যটন নগরীর সকল পর্যটননির্ভর ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খোলার অনুমতি দিয়েছেন। সাড়ে তিন মাস পর এ প্রতিষ্ঠানগুলো খোলার অনুমতি পায়।

গতকাল সকাল ১০টায় কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে লিখিত আবেদনের ফলে এ আদেশ দেয়া হয়।

স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের আয়োজনে ও হোটেল-মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সহযোগিতায় অভিজাত হোটেল গ্রেভার ইন-এ তিনদিনের প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক। চলতি মাসের ৫ জুন এ প্রশিক্ষনের আয়োজন করা হয়।

সূত্র জানায়, করোনাভাইরাসের শুরুতেই ১৭ মার্চ কুয়াকাটার পর্যটন শিল্পকে লিখিতভাবে বন্ধ করেন জেলা প্রশাসক। এরপরই কুয়াকাটায় দীর্ঘ তিন মাস ১৩ দিন বন্ধ থাকে পযর্টন শিল্প। ফলে কয়েকশ কোটি টাকা ক্ষতির মুখে পড়ে এখানকার ট্যুরিজম ব্যবসায়ীরা।

গত মাসে সারাদেশে গণপরিবহন চলাচল করলেও বন্ধ ছিল কুয়াকাটার আবাসিক হোটেল-মোটেল, রিসোর্ট, পার্ক, ওয়াটার বাস, ট্যুরিস্ট বোট, আচারের দোকান, ছাতাবেঞ্চ, শুঁটকির দোকান, কাঁকরার ফ্রাই দোকান গুরুত্বপূর্ণ শপিংমল, রাখাইন মহিলা মার্কেটসহ বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। এতে লোকসান হয় কয়েকশ কোটি টাকা। এ ব্যবসাকে ঘিরে বেকার হচ্ছে কয়েক হাজার শ্রমিক। অনেক পরিশ্রেমের পরে কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের একটি প্রতিনিধি দল পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের সাথে দেখা করলে আগামী ১ জুলাই পর্যটকদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে আবাসিক হোটেলসহ সব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলার অনুমতি দেয়।

এ অনুমতি পাওয়ার পর কুয়াকাটার ব্যবসায়ীদের মধ্যে উৎসব দেখা যায়। কুয়াকাটা সি ট্যুর অ্যান্ড ট্রালেস পরিচালক জনি আলমগীর বলেন, এ মহামারিতে আমাদের ব্যবসা বন্ধ থাকায় অনেক লোকসানে পড়েছি আমরা।

সৈকত হোটেলের মালিক শেখ জিয়াউর রহমান বলেন, হোটেলবয়দের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। আমরা চেষ্টা করবো পর্যটকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা দিয়ে তাদের সেবা দিতে। অভিজাত হোটেল গ্রেভারইন ম্যানেজার সাজ্জাত মিতুল বলেন, এ ক্রান্তিকালে দেশের সব অফিসে তো কাজ চলছে আমরা কেন পারবো না; আমরাও পর্যটকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা দিতে পারবো।

কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এম.এ মোতালেব শরিফ বলেন, আমাদের সংগঠনের কর্মচারীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য প্রশিক্ষণের আয়োজন,বৃহস্পতিবার জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত আবেদনের ফলে, তিনি ১ জুলাই হোটেল খোলার অনুমতি দিয়েছেন।

এ ব্যাপারে পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক মতিউল ইসলাম চৌধুরী বলেন, সরকারের দেয়া শেষ প্রজ্ঞাপনের শর্ত মেনে আবাসিক হোটেল খোলা রাখতে পারবে। কুয়াকাটার সকল হোটেল-মোটেল এতদিন বন্ধ রাখায় তাদের ধন্যবাদ জানাই। ইতিমধ্যে তারা স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ শেষ করেছেন। আগামী ১ জুলাই থেকে কুয়াকাটা হোটেল-মোটেলসহ সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখতে পারবে। সবাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে করোনা থেকে নিরাপদে থাকতে পারবো।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..