1. a.hossainmcj@gmail.com : Akter Hossain : Akter Hossain
  2. Gram.bangla@yahoo.com : bigboss : Tanjim
  3. billal.mcj1@gmail.com : Billal Hosen : Billal Hosen
  4. mdkutubcou@gmail.com : গ্রাম বাংলা : গ্রাম বাংলা ডেস্ক
  5. sanymcj@gmail.com : GramBanglaBD : Gram Bangla
  6. muhaimin.mcj@yahoo.com : Gram Bangla : Muhaimin Noman
  7. mohiuddinrasel1922@gmail.com : Mohi Uddin Rasel : Mohi Uddin Rasel
  8. rayhan.mcj@gmail.com : Abu Bakar Rayhan : Abu Bakar Rayhan
ঝিনাইদহে গড়ে উঠেছে গরুর ডে কেয়ার খামার - দৈনিক গ্রাম বাংলা    
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২০, ০৫:৫৪ পূর্বাহ্ন

ঝিনাইদহে গড়ে উঠেছে গরুর ডে কেয়ার খামার

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১১ ফেব্রুয়ারী, ২০২০
  • ১৮৭ বার পঠিত

 

বাবা মায়ের অবর্তমানে সন্তানের যেমন ডে কেয়ারে যত্ন নেওয়া হয় তেমনি মালিকের অবর্তমানেও গরুর যত্ন নেওয়া হচ্ছে। শুনতে একটু অন্যরকম লাগে, তাইনা? হ্যা, সত্যি একটু অন্যরকমই। দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর চলছে ঝিনাইদহের মহেশপুরের এই গরুর ডে কেয়ার খামার।

খামারটি গড়ে তুলেছেন ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার বাশবাড়িয়া ইউনিয়নের ভোরবা গ্রামের আলাউদ্দিন বিশ্বাস। তার খামারে নিরাপদে এবং নির্বিঘ্নে একটি গরু সারাদিন রাখা হয়। প্রতিটি প্রতিপালনের জন্য গরুর মালিককে খামারিকে দিতে হবে মাত্র ১৫ টাকা। তাই খামারিরা প্রতিদিন ছুটে যান গরুর মালিকদের বাড়িতে। নিজ দায়িত্বে বুঝে নিয়ে আসেন মালিকের গরু। সারাদিন মাঠে চরানোর পর সন্ধার আগে আবার গরু মালিকের বাড়িতে পৌছেদেন তারা।

আলাউদ্দিন জানান, প্রথমে কাজে দ্বিধা থাকলে গরুর মালিকদের আগ্রহের কারনে এক পর্যায়ে এই পেশাতেই সিন্ধান্ত নিই। দিনদিন গরুর সংখ্যা বাড়তে থাকে। আয়ও বাড়ে। বর্তমানে প্রতিদিন ৯০/৯৫ টি গরু চরাতে হয়। এখন দুই জন সহযোগি রয়েছে তার। একজন লেখাপড়া করলেও অন্যজন করেনা। তৈফিক নামের একজন সহযোগী জানায়, তারা গরিব মানুষ। যে টাকা পায় তা সংসারে দেই। সে গ্রামের ব্র্যাক স্কুলের ৪র্থ শ্রেনীতে পড়ে। সকালে স্কুলে যায়, বাড়িতে এসে আবার মাঠে গরু খাওয়াতে যায়। চার বছর এ কাজ করছে। সে আরো জানায়, লেখাপড়া খুবই ভালো লাগে তার। কোনদিন স্কুল কামাই করেনা। স্যারেরা যে পড়া দেয়, একাই বাড়িতে পড়া করে। তার ইচ্ছা আছে, কষ্ট করে হলেও লেখাপড়া করে, বড় হবে। একদিন চাকরি করবে।

একজন গরুর মালিক জানান, মাত্র ১৫ টাকার বিনিময়ে প্রতিদিন সকাল, বিকালে গরুকে মাঠের কাঁচা ঘাস খাওয়াতে পারছি। তাছাড়া তাদের দায়িত্ব দেখে, আমরা বড়ই খুশি হই। তারা আমাদের মত গরুর মালিকদের বড়ই উপকারে আসছে। এ বিষয়ে গ্রামের মেম্বার শাহাজাহান আলি জানান, আলাউদ্দিন বড়ই ভালো ছেলে। তার দায়িত্ব দেখে আমারা বড়ই খুশি হই। আমারও দুইটি গরু তার কাছে দিয়ে থাকি। তার এমন কাজের কারনে আমাদের মত গরুর মালিকদের গরু পালন করা আগ্রহ বেড়ে গেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..