1. a.hossainmcj@gmail.com : Akter Hossain : Akter Hossain
  2. Gram.bangla@yahoo.com : bigboss : Tanjim
  3. billal.mcj1@gmail.com : Billal Hosen : Billal Hosen
  4. mdkutubcou@gmail.com : গ্রাম বাংলা ডেস্ক : গ্রাম বাংলা ডেস্ক
  5. sanymcj@gmail.com : GramBanglaBD : Gram Bangla
  6. muhaimin.mcj@yahoo.com : Gram Bangla : Muhaimin Noman
  7. mohiuddinrasel1922@gmail.com : Mohi Uddin Rasel : Mohi Uddin Rasel
  8. rayhan.mcj@gmail.com : Abu Bakar Rayhan : Abu Bakar Rayhan
ত্রুটিপূর্ণ বাঁধ, ভারতের পানিতে ভাসছে বাংলাদেশের ১৫ গ্রাম - দৈনিক গ্রাম বাংলা    
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২০, ০৮:২৫ অপরাহ্ন

ত্রুটিপূর্ণ বাঁধ, ভারতের পানিতে ভাসছে বাংলাদেশের ১৫ গ্রাম

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২০
  • ২১৪ বার পঠিত

ডেস্ক রিপোর্ট:

ফেনীর মুহুরী, কহুয়া ও সিলোনিয়া নদীর দুই তীরে ত্রুটিপূর্ণ বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নির্মাণের কারণে ভাঙনে সর্বস্বান্ত হচ্ছেন জেলার তিন উপজেলার কয়েক লাখ মানুষ। প্রতি বছর ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে বাঁধ ভেঙে ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট, ফসলের মাঠসহ ভেসে যায় পুকুরের মাছ। সংস্কার নয়, এলাকাবাসীর দাবি বাঁধের স্থায়ী সমাধান। জেলা প্রশাসন বাঁধ নির্মাণে ত্রুটির কথা স্বীকার করে প্রতি বছরের মত এবারও সমাধানের আশ্বাস দিয়েছে।

ভারী বর্ষণ হলেই ভারতের ত্রিপুরা থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে ফেনীর মুহুরী, কহুয়া ও সিলোনিয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে দেখা দেয় ভাঙন। প্রতি বছর এই বাঁধের বিভিন্ন স্থান ভেঙে ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট, ফসল,পুকুরের মাছ ভেসে যায়। রোববার রাতে হঠাৎ ৯ টি স্থান ভেঙে বন্যার কবলে পড়েছে দু’উপজেলার ১৫টি গ্রাম। এতে সীমাহীন দুর্ভোগে স্থানীয়রা।

অথচ ফেনী সদরসহ ফুলগাজী,পরশুরাম ও ছাগলনাইয়া উপজেলাকে বন্যা থেকে রক্ষায় নির্মাণ করা হয় ১২২ কিলোমিটার দীর্ঘ বন্যা প্রতিরক্ষা বাঁধটি। কিন্তু নির্মাণের পর থেকে আর্শীবাদ নয়, প্রতি বছরই বাঁধের একাধিক স্থানে ভেঙে অভিশাপই বয়ে আনছে স্থানীয়দের জন্যে। নদী শাসন না করা, নদী থেকে অপরিকল্পিল্পভাবে বালু উত্তোলনের পাশাপাশি নদীর তীর ঘেঁষে বেশির ভাগ বাঁধ নির্মাণ হওয়াকেই দায়ী করছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয়দের একজন বলেন, ‘বন্যা আসার লগে লগে জীবন নিয়ে চলে আসছি। এক কাপড়ে বের হয়ে আসছি।’

স্থানীয়দের আরেকজন বলেন, ‘এমনিতেই করোনাতে রুজি রোজগার নেই। তারপরে বন্যা এসে আবার বিপদে ফেলায়ে দিল।’

বাঁধের নির্মাণ ত্রুটির কথা স্বীকার করে ফেনীর জেলা প্রশাসক মো. ওয়াহিদুজজামান বললেন, ফেনীর মানুষের দুঃখের অন্যতম এ বিষয়টির স্থায়ী সমাধান দরকার।

বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধটির নির্মাণ ২০০৫ সালে শুরু হয়ে শেষ হয় ২০১১ সালে। এতে ব্যয় হয় দেড়’শ কোটি টাকা।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..