1. a.hossainmcj@gmail.com : Akter Hossain : Akter Hossain
  2. Gram.bangla@yahoo.com : bigboss : Tanjim
  3. billal.mcj1@gmail.com : Billal Hosen : Billal Hosen
  4. mdkutubcou@gmail.com : গ্রাম বাংলা ডেস্ক : গ্রাম বাংলা ডেস্ক
  5. sanymcj@gmail.com : GramBanglaBD : Gram Bangla
  6. muhaimin.mcj@yahoo.com : Gram Bangla : Muhaimin Noman
  7. mohiuddinrasel1922@gmail.com : Mohi Uddin Rasel : Mohi Uddin Rasel
  8. rayhan.mcj@gmail.com : Abu Bakar Rayhan : Abu Bakar Rayhan
দুই টাকা কেজিতে কৃষকের মাথায় হাত - দৈনিক গ্রাম বাংলা    
সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০২:৫৩ পূর্বাহ্ন

দুই টাকা কেজিতে কৃষকের মাথায় হাত

  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ১ মে, ২০২০
  • ৩০৪ বার পঠিত

গ্রাম বাংলা ডেস্ক:

হোসেন মিয়া রুনা আক্তার দম্পতি। বাড়ি ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার এনায়েতপুর ইউনিয়ের গোপীনাথপুরে। একসময় দুজনই পোশাক কারখানায় কাজ করতেন। সেই চাকরি ছেড়ে মাড়ির টানে গ্রামে ফিরে আসেন এই দম্পতি। সংসারের অসচ্ছলতা ঘোচাতে এক সন্তানের জননী রুনা সঞ্চিত ৩০ হাজার টাকা আর এনজিওর ঋণ নিয়ে দুই কাঠা জমি বন্ধক নেন।

জমিতে চাষ করেন উচ্চফলনশীল জাতের করলা। চারা রোপণ, পরিচর্যা থেকে শুরু করে ফলন আসার আগ পর্যন্ত তাঁর হয় প্রায় ১৮ হাজার টাকা। কিন্তু করোনাভাইরাসের বিরূপ প্রভাবে এবার বিক্রি মৌসুমের শেষে দাঁড়ায় মাত্র ৫০০ টাকায়। সর্বশেষ ৮০ টাকা মণে করলা বিক্রি করেছেন রুনা। যার কারণে পরিবার সামনের মৌসুমে নতুন সবজি চাষ করবে কি না, তা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

শুধু রুনা আক্তার নন, ফুলবাড়িয়া উপজেলার প্রায় সব সবজিচাষির এ অবস্থা। করোনার প্রভাবে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পাইকার না আসায় এবং পরিবহন বন্ধ থাকায় সবজির ন্যায্যমূল্য তাঁরা পাননি। সবজি বিক্রি করতে না পারায় সবজি নষ্ট হচ্ছে এখন খেতেই। তাই সর্বস্বান্ত রুনার মতো এমন কৃষকের স্বপ্নের ফসল এখন হাটে বিক্রি হচ্ছে দুই টাকা কেজি দরে। যার কারণে ফুলবাড়িয়ার প্রায় সব সবজিচাষি এখন সর্বস্বান্ত।

উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি গ্রাম ঘুরে দেখা যায়, মৌসুমি সবজি যেমন কলা, বেগুন, টমেটো, শসা, লাউ–কুমড়া, লেবুসহ নানা সবজি নষ্ট হচ্ছে খেতে। বিভিন্ন স্থানীয় বাজারগুলোতে লকডাউন থাকায় কৃষক তাঁর পণ্য নিতে পারছে না, পাশাপাশি বাজারে পাইকার না থাকায় ন্যায্য দামও পাচ্ছেন না চাষিরা। বিভিন্ন এনজিও থেকে ঋণ করে সবজি চাষ করে বিক্রি করতে না পারায় চরম বিপাকে পড়েছেন কৃষকেরা।

ইউনিয়নের কৃষকরা জানান, রাঙ্গামাটিয়া ও ফুলতলা উপজেলায় সবচেয়ে বেশি সবজি উৎপাদন হয়। এখানকার সবজি ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলার পাইকারেরা কিনে নিয়ে যান। এবার করোনাভাইরাসের কারণে এবং স্থানীয় কিছু পাইকারের সিন্ডিকেটের কারণে কৃষকেরা সর্বস্বান্ত হয়ে গেছেন বলে অভিযোগ তাঁদের। তাঁরা বলেন, বাজারে নিলে করলা দুই টাকা কেজি, কলা ও বেগুন কেউ এক টাকা করেও কেনে না। কোনো সবজি বাজারে বিক্রি করা সম্ভব হচ্ছে না। তাই সামনের মৌসুমে নতুন সবজি চাষের টাকাও তাঁদের হাতে নেই।

ফুলবাড়িয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জেসমিন নাহার বলেন, ‘সরকারের তরফ থেকে আমরা সবজিচাষিদের ব্যাপারে গাইডলাইন পাইনি, তবে ক্ষতিগ্রস্ত সবজিচাষিদের অবস্থা খুবই খারাপ। সরকারের উচিত ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের প্রণোদনার ব্যবস্থা করা। কৃষকেরা সবজি চাষাবাদ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলে দেশে খাদ্যঘাটতিসহ পুষ্টিহীনতার একটা বড় সংকট দেখা দিতে পারে।’

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..