1. a.hossainmcj@gmail.com : Akter Hossain : Akter Hossain
  2. Gram.bangla@yahoo.com : bigboss : Tanjim
  3. billal.mcj1@gmail.com : Billal Hosen : Billal Hosen
  4. mdkutubcou@gmail.com : MD Kutub Uddin : MD Kutub Uddin
  5. sanymcj@gmail.com : GramBanglaBD : Gram Bangla
  6. muhaimin.mcj@yahoo.com : Muhaimin Noman : Muhaimin Noman
  7. mohiuddinrasel1922@gmail.com : Mohi Uddin Rasel : Mohi Uddin Rasel
  8. rayhan.mcj@gmail.com : Abu Bakar Rayhan : Abu Bakar Rayhan
করোনা চিকিৎসায় বিশ্বকে আলো দেখাচ্ছে বাংলাদেশের ঔষধ - দৈনিক গ্রাম বাংলা    
রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২০, ০৭:১১ অপরাহ্ন

করোনা চিকিৎসায় বিশ্বকে আলো দেখাচ্ছে বাংলাদেশের ঔষধ

  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২৯ জুন, ২০২০
  • ৭০ বার পঠিত

ডেস্ক রিপোর্টঃ

বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাসের মহামারি শুরুর পর দেশে দেশে বিজ্ঞানীরা দিশাহারা হয়ে পড়েন এই ভাইরাস মোকাবেলার পাশাপাশি কিভাবে চিকিৎসা করা যায় তা নিয়ে। বিশেষ ভাবে ভ্যাকসিন ও ওষুধ নিয়ে শুরু হয় একের পর এক নানামুখী গবেষণা। নতুন কোনো ওষুধ পাওয়া না গেলেও পুরনো বিভিন্ন রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধগুলো করোনা ভাইরাসে আক্রান্তদের উপসর্গ অনুসারে ব্যবহার শুরু হয়। কোথাও কোনো ওষুধের গবেষণায় ন্যূনতম সাফল্যের খবর প্রচার হতে না হতেই বিশ্বব্যাপী ওই ওষুধ নিয়ে হুমড়ি খেয়ে পড়ে চিকিৎসক থেকে শুরু করে সকল মানুষ।

এই তালিকায় হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন+ অ্যাজিথ্রোমাইসিন, রেমডেসিভির, ফেভিপিরাভির, আইভারমেকটিন +ডক্সিসাইক্লিন এবং সব শেষে যুক্ত হয় ডেক্সামেথাসন এর নাম।
আইভারমেকটিন+ডক্সিসাইক্লিন এখন সর্বজনিন
বাংলাদেশে এর সবই কমবেশি ব্যবহার হয়েছে ও হচ্ছে, যার মধ্যে হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন পিছু হটলেও অন্য গুলো এখনো রয়েছে ব্যবহারের তালিকায়। তবে বর্তমানে দেশে এখন করোনা চিকিৎসায় যেন সর্বজনিন হয়ে উঠেছে অ্যান্টিপ্রোটোজোয়াল ক্যাটাগরির জেনেরিক আইভারমেকটিন+ডক্সিসাইক্লিন ওষুধ।

সরকারি-বেসরকারি সব হাসপাতালেই করোনার রোগীদের জন্য এটিই তালিকার শীর্ষে। সেই সাথে যাঁরা আক্রান্ত হয়ে বা উপসর্গ নিয়ে বাসা-বাড়িতে অবস্থান করছেন তাঁরাও চিকিৎসকের পরামর্শে সবার আগে রাখছেন এই আইভারমেকটিন+ডক্সিসাইক্লিন। দেশে প্রথম এই আইভারমেকটিন+ডক্সিসাইক্লিন ডোজ শুরু করেন বাংলাদেশ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল এর মেডিসিন বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. তারেক আলম।

“দেশে করোনা চিকিৎসায় বড় সাফল্য- দুটি ওষুধের সম্মিলিত ব্যবহারে তিন দিনে ৫০% সুস্থ, চার দিনে শতভাগ”- শীর্ষক প্রতিবেদনে এমন খবর প্রথম প্রকাশ করে কালের কন্ঠ।

এরপর থেকেই দ্রুত এই ওষুধের ব্যবহার ছড়িয়ে পড়ে পুরো দেশে। তবে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে সরকারের সংশ্লিষ্ট অনুমোদনকারী সংস্থা বাংলাদেশ মেডিক্যাল রিসার্চ কাউন্সিল-বিএমআরসি থেকে এই ওষুধের অনুমোদন পাওয়া যায়নি। পরবর্তী সময়ে আইসিডিডিআরবি এ ওষুধ নিয়ে কয়েকটি হাসপাতালের রোগীদের ওপর ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু করেছে। অধ্যাপক তারেক আলম ও আইসিডিডিআরবি আলাদা করে এই ওষুধের প্রয়োগজনিত অনুমোদনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রটোকল জমা দিয়েছেন বিএমআরসির কাছে এমন তথ্য জানা গেছে।

করোনাভাইরাস মোকাবেলায় সরকার গঠিত বিশেষজ্ঞ উপদেষ্টা কমিটির সিনিয়র সদস্য, মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ও প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহ বলেন, হাতের কারো কাছে এখনো কোনো চূড়ান্ত সমাধান না পাওয়ায় সহজলভ্য ও তুলনামূলক কম পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ওষুধ হিসেবে আইভারমেকটিন সবাই ব্যবহার করছে। তবে কোনোভাবেই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো ওষুধ ব্যবহার করা যাবে না।

অধ্যাপক ডা. তারেক আলম বলেন, ‘আমি অ্যান্টিপ্রোটোজোয়াল মেডিসিন আইভারমেকটিনের সিঙ্গল ডোজের সঙ্গে অ্যান্টিবায়োটিক ডক্সিসাইক্লিন প্রয়োগে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের মাত্র তিন দিনে ৫০ শতাংশ লক্ষণ কমে যাওয়া আর চার দিনে করোনাভাইরাস টেস্টের রেজাল্ট নেগেটিভ আসার সাফল্য পেয়েছি।’

তিনি বলেন, “ওষুধ দুটি এর আগেও সার্স মহামারির সময় ব্যবহার হয়েছিল। আমি নিশ্চিত করে আবারো বলছি, ওষুধ দুটির সম্মিলিত ব্যবহার করোনা ভাইরাসের চিকিৎসায় ব্যবহৃত এখন পর্যন্ত অন্য ওষুধের চেয়ে ভালো ফল দিচ্ছে। তারও আগে অস্ট্রেলিয়ার মোনাশ বিশ্ববিদ্যালয়ে ওষুধ দুটির সফল স্টাডি সম্পন্ন হয়েছে। আর আমাদের ‘বাংলাদেশ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে’ এই ওষুধের পরীক্ষামূলক কাজে আমার সঙ্গে ছিলো ‘সম্মান ফাউন্ডেশন’ ও অধ্যাপক ডা. রুবাইয়ুল মোরশেদ। এখন আমি অপেক্ষায় আছি বিএমআরসির অনুমোদনের জন্য।”

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..