1. a.hossainmcj@gmail.com : Akter Hossain : Akter Hossain
  2. Gram.bangla@yahoo.com : bigboss : Tanjim
  3. billal.mcj1@gmail.com : Billal Hosen : Billal Hosen
  4. mdkutubcou@gmail.com : গ্রাম বাংলা ডেস্ক : গ্রাম বাংলা ডেস্ক
  5. sanymcj@gmail.com : GramBanglaBD : Gram Bangla
  6. muhaimin.mcj@yahoo.com : Gram Bangla : Muhaimin Noman
  7. mohiuddinrasel1922@gmail.com : Mohi Uddin Rasel : Mohi Uddin Rasel
  8. rayhan.mcj@gmail.com : Abu Bakar Rayhan : Abu Bakar Rayhan
পাটের ফলনে বৃষ্টির হানা, বন্ধ পাটকল, দুঃশ্চিন্তায় চাষী - দৈনিক গ্রাম বাংলা    
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২০, ০৯:২৮ অপরাহ্ন

পাটের ফলনে বৃষ্টির হানা, বন্ধ পাটকল, দুঃশ্চিন্তায় চাষী

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২০
  • ৮১ বার পঠিত

কৃষি ডেস্ক:

ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে ঠাকুরগাঁওয়ে পাটের ফলনে বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। বেশির ভাগ জমির পাটগাছ পানির নিচে থাকায় এবার ফলন ভাল হয়নি পাটের।

অন্যদিকে আকস্মিকভাবে রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলগুলো বন্ধের সিদ্ধান্তের ফলে পাটচাষিরা উতপাদিত পাট বিক্রি নিয়েও পড়েছেন বিপাকে। সব মিলিয়ে এবার আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হবেন বলে কৃষকেরা শঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

জেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে পাটচাষীদের মুখে হতাশার সুরই শোনা গেছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, এ বছর ঠাকুরগাঁও জেলায় ৬ হাজার ১৪০ হেক্টর জমিতে পাট আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়। কিন্ত আবাদ হয়েছে ৫ হাজার ৮১২ হেক্টর জমিতে। অর্থাৎ লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৩২৮ হেক্টর জমিতে পাট চাষ কম হয়েছে এই জেলায়। এরমধ্যে দেশি জাতের পাট আবাদ হয়েছে ৭০২ হেক্টর ও তোষা জাতের পাট আবাদ হয়েছে ৫ হাজার ১১০ হেক্টর।

এ অবস্থায় পাট উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় ৭০ হাজার ২৬৭ বেল বা ৩ লাখ ৫১ হাজার ৩৩৫ মন।

সারেজমিনে গিয়ে জানা যায়, এ বছর আগাম ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে পাটের ফলনে বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে পাটগাছ পানির নিচে থাকায় পাটের ফলন খারাপ হয়েছে। গাছগুলো হয়েছে চিকন চিকন, পাঁচ-ছয় ফুটের বেশি বাড়েনি। ফলে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন অনেকাংশেই অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

গত বছর আবহাওয়া অনুকুলে থাকার পাটের বাম্পার ফলন হয়েছিল এবং কৃষকরাও পাটের দামও ভালো পাওয়া গিয়েছিলো, সে কথা স্মরণ করেন চাষীরা।

এদিকে, বাজারে পাটের দামও কম চলছে। অনেক কৃষক বিভিন্ন সংস্থার ঋণ ও সুদে টাকা-পয়সা নিয়ে পাটের আবাদ করেছেন। ফলন ভালো না হওয়ায় ঋণের টাকা পরিশোধ নিয়ে কৃষকেরা পড়েছেন দুশ্চিন্তায়। অন্যদিকে সরকার রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলগুলো বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়ায় পাট বিক্রি ঠিক কতটুকু হবে সে নিয়েও দুঃশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা।

সদর উপজেলার রহিমানপুর ইউনিয়নের কৃষক আবু তালেবের সঙ্গে কথা হচ্ছিলো এই প্রতিবেদকের। তিনি বলেন, এবারে পাটের ফলন অনেক কম হয়েছে। গতবার বিঘা প্রতি ২০মন হতে ১৮ মন পর্যন্ত হয়েছিলো। কিন্তু এবারে ভারী বৃষ্টিপাতের কারনে ১২ থেকে ১৪মন আসতে পারে।

মোরশেদ আলী নামের আরেক কৃষক বললেন, সরকার রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলগুলো বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়ায় আমার চরম বিপদে পড়েছি। আমার কি করে খাবো তা নিয়ে অনেক চিন্তিত ।

আগাম ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে এবার পাটের স্বাভাবিক বৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আফতাব হোসেন বলেন, এবার লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কিছু কম জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে। তবে বাজারে পাটের দাম ভাল পেলে কৃষকরা তাদের আর্থিক ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..