1. a.hossainmcj@gmail.com : Akter Hossain : Akter Hossain
  2. Gram.bangla@yahoo.com : bigboss : Tanjim
  3. billal.mcj1@gmail.com : Billal Hosen : Billal Hosen
  4. mdkutubcou@gmail.com : গ্রাম বাংলা : গ্রাম বাংলা ডেস্ক
  5. sanymcj@gmail.com : GramBanglaBD : Gram Bangla
  6. muhaimin.mcj@yahoo.com : Gram Bangla : Muhaimin Noman
  7. mohiuddinrasel1922@gmail.com : Mohi Uddin Rasel : Mohi Uddin Rasel
  8. rayhan.mcj@gmail.com : Abu Bakar Rayhan : Abu Bakar Rayhan
পাবজি খেলেই বাবার চিকিৎসার ১৬ লাখ টাকা শেষ করলো ছেলে - দৈনিক গ্রাম বাংলা    
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২০, ০৬:৫১ পূর্বাহ্ন

পাবজি খেলেই বাবার চিকিৎসার ১৬ লাখ টাকা শেষ করলো ছেলে

  • আপডেট টাইম : রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২০
  • ১৯৫ বার পঠিত

গ্রামবাংলা ডেস্ক:

পাবজি গেমের নেশায় বুঁদ ভারতের পাঞ্জাবের এক কিশোর তার বাবার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে ১৬ লাখ টাকা খরচ করে ফেলেছেন। পাবজির বিভিন্ন পেড অ্যাপ্লিকেশন কিনতে গিয়ে এবং গেম আপগ্রেড করতে গিয়ে ওই বিপুল অর্থ উড়িয়ে দেয় সে। ট্রিবিউন ইন্ডিয়ার বরাতে রোববার এনডিটিভি এ খবর প্রকাশ করেছে।

জানা গেছে, ওই টাকা তার বাবা চিকিৎসা খাতে ব্যয়ের জন্যে সারা জীবন ধরে সঞ্চয় করেছিলেন। পাবজির নেশায় বাবার মাথার ঘাম পায়ে ফেলে অর্জন করা সেই টাকা বিনা চিন্তাভাবনায় নষ্ট করেছে কিশোরটি। ওই কিশোরের বাবা একজন সরকারি চাকরিজীবী। তিনি ভবিষ্যতে চিকিৎসার জন্য ওই টাকা জমিয়ে রেখেছিলেন। কিন্তু তিনি প্রথমে টেরই পাননি যে তার ছেলে এমন কাণ্ড করছে, কারণ কর্মসূত্রে অন্য জায়গায় ছিলেন তিনি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই ভদ্রলোক বলেছেন, আমার ছেলে তার মায়ের মোবাইল ফোন থেকে ওই সমস্ত লেনদেন করতো এবং তারপর অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা খরচ সংক্রান্ত যে মেসেজটি আসতো সেটি সঙ্গে সঙ্গে ডিলিট করে দিত। ফলে আমরা কিছুই বুঝতেই পারিনি। বাবা-মা ভাবতেন ওই কিশোর তার অনলাইন পড়াশোনোর জন্য রাতদিন মোবাইল নিয়ে বসে আছে। কিন্তু তলে তলে যে সে এই কাণ্ড ঘটাচ্ছে তার আন্দাজ কোনোভাবেই করতে পারেননি তারা। তবে যখন টের পেলেন তখন সর্বনাশ হয়ে গেছে।

এদিকে সেন্সর টাওয়ার নামে একটি সংস্থার রিপোর্টে বলা হয়েছে, করোনোকালে ঘরবন্দি থাকার কারণে পাবজি গেম খেলার প্রবণতা আরও বেড়ে গেছে। ফলে বিশ্বে এই মহামারির সময়েও ভালোই আয় করেছে পাবজি মোবাইল গেম তৈরির সংস্থাটি।

আরো পড়ুন:

ভ্যাকসিন নিয়ে শতভাগ আত্মবিশ্বাসী ড. আসিফ মাহমুদ

ডক্টর আসিফ মাহমুদ। ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক। গবেষণার প্রতি বাড়তি টান আগে থেকেই। বুঝেশুনেই ২০১৬ সালে যোগ দেন গ্লোব বায়োটেকে। সুযোগ ছিল, এখনো আছে, যুক্তরাষ্ট্রের মত উন্নত দেশে থাকার, কাজ করারও। তা না করে দেশেই গবেষণায় মন দেন জাপানে পিএইচডি করা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই সাবেক শিক্ষার্থী।

কোভিড নাইনটিনের ভ্যাকসিন নিয়ে শতভাগ আত্মবিশ্বাসী গ্লোব বায়োটেকের গবেষণা প্রধান ডক্টর আসিফ মাহমুদ। বলছেন, নিয়ন্ত্রক সংস্থার আন্তরিক সহায়তা পেলে ছয় মাসের মধ্যেই তা মানুষের কাছে পৌঁছানো সম্ভব। তার মতে, এ কাজে বড় চ্যালেঞ্জ, সময়মত কাঁচামাল পাওয়া। এরই মধ্যে কিডনী ও ক্যান্সারের মত জটিল রোগের ওষুধ তৈরি করে ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের অনুমোদনের অপেক্ষায় কোম্পানিটি।

৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা রোগী পাওয়ার দিন থেকেই ভ্যাকসিন নিয়ে গবেষণা শুরু করেন আসিফ মাহমুদরা। প্রথম দফা অ্যানিম্যাল ট্রায়ালে সফলতার পর বৃহস্পতিবার তা জানান দেশবাসীকে। আদৌ এই ভ্যাকসিন আসবে কি না, সেই প্রশ্ন তুলছেন কেউ কেউ। তাদের খানিকটা ধৈর্য্য ধরার অনুরোধ ডক্টর আসিফের।

আর এই ভ্যাকসিন আবিষ্কারে এখনো যে কিছু চ্যালেঞ্জ আছে, তা-ও ভাল জানা তার। এই আবিষ্কারের পেছনে পেশাদারিত্বের পাশাপাশি যে নিজের আবেগও জড়িত সে কথাও স্পষ্ট করেন এই বিজ্ঞানী।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..