1. a.hossainmcj@gmail.com : Akter Hossain : Akter Hossain
  2. Gram.bangla@yahoo.com : bigboss : Tanjim
  3. billal.mcj1@gmail.com : Billal Hosen : Billal Hosen
  4. mdkutubcou@gmail.com : MD Kutub Uddin : MD Kutub Uddin
  5. sanymcj@gmail.com : GramBanglaBD : Gram Bangla
  6. muhaimin.mcj@yahoo.com : Muhaimin Noman : Muhaimin Noman
  7. mohiuddinrasel1922@gmail.com : Mohi Uddin Rasel : Mohi Uddin Rasel
  8. rayhan.mcj@gmail.com : Abu Bakar Rayhan : Abu Bakar Rayhan
বন্ধ মেসে ১১ হাজার টাকা বিদ্যুৎ বিল - দৈনিক গ্রাম বাংলা    
রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২০, ০৬:৩১ অপরাহ্ন

বন্ধ মেসে ১১ হাজার টাকা বিদ্যুৎ বিল

  • আপডেট টাইম : রবিবার, ২৮ জুন, ২০২০
  • ২১১ বার পঠিত

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধিঃ

করোনাভাইরাসের কারণে বন্ধ রয়েছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়। দীর্ঘদিন ক্যাম্পাস বন্ধ থাকায় বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন মেসের শিক্ষার্থীরা বাড়ি চলে গেছেন। কিন্তু অনেক শিক্ষার্থীর অভিযোগ, দীর্ঘ তিন মাস তারা বিদ্যুৎ ব্যবহার না করলেও অস্বাভাবিক বিল এসেছে। তিন মাসে এক মেসে বিদ্যুৎ বিল এসেছে ১১ হাজার ৩০০ টাকা

জানা গেছে, পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র ইমতিয়াজ আহমেদ বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন একটি মেসের আটটি কক্ষে বন্ধুরা মিলে থাকতেন।
তিন মাস হলো মেস বন্ধ। এখন জেনেছেন তিন মাসে ১১ হাজার ৩০০ টাকা বিদ্যুৎ বিল এসেছে। অথচ স্বাভাবিক সময়ে মাসে এক হাজারের বেশি বিল আসে না। ‘আমরা না থাকাকালে কী ভূতে বিদ্যুৎ ব্যবহার করেছে’ ক্ষোভ প্রকাশ করে এভাবেই বলছিলেন এ শিক্ষার্থী।

গত মার্চের ১৬ তারিখ বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ হয়ে গেলে আবাসিক হলের পাশাপাশি সকল শিক্ষার্থী মেস ছেড়ে বাড়ি চলে যায়। ফলে দীর্ঘদিন মেসে থাকা হয়নি শিক্ষার্থীদের। মেসে না থেকেও করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও বাসা ভাড়া গুনতে হচ্ছে তাদের। বাসা ভাড়ার সাথে অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিল যুক্ত হওয়ায় সংকটে পড়েছেন শিক্ষার্থীরা।

বিশ্ববিদ্যালেয় নৃবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘কুমিল্লা শহরে তাদের মেসে কেউ না থাকলেও তিন মাসে বিল এসেছে আড়াই হাজার টাকা। মেসমালিক ভাড়া ও বিদ্যুৎ বিল দেওয়ার জন্য ফোন করে বারবার চাপ দিচ্ছেন। একে না থেকে মেস ভাড়া দিতে হচ্ছে তার উপর অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল আমাদের উপর চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে।’

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে মেসভাড়া মওকুফের আশ্বাস দিলেও কার্যত কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল আর মেসভাড়ার জন্য প্রতিনিয়ত মেসমালিকদের সাথে সমস্যা লেগেই থাকছে শিক্ষার্থীদের।

বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রক্টর ড. কাজী মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন বলেন, ‘মেসে না থাকলে শিক্ষার্থীরা কেন এই বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করবে? তারা সর্বোচ্চ মিটারের স্বাভাবিক চার্জ বহন করতে পারে। যদি অতিরিক্ত বিল এসে থাকে তা মেসমালিক ও বিদ্যুৎ অফিস বুঝবে। ’

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..