1. a.hossainmcj@gmail.com : Akter Hossain : Akter Hossain
  2. Gram.bangla@yahoo.com : bigboss : Tanjim
  3. billal.mcj1@gmail.com : Billal Hosen : Billal Hosen
  4. mdkutubcou@gmail.com : গ্রাম বাংলা ডেস্ক : গ্রাম বাংলা ডেস্ক
  5. sanymcj@gmail.com : GramBanglaBD : Gram Bangla
  6. muhaimin.mcj@yahoo.com : Gram Bangla : Muhaimin Noman
  7. mohiuddinrasel1922@gmail.com : Mohi Uddin Rasel : Mohi Uddin Rasel
  8. rayhan.mcj@gmail.com : Abu Bakar Rayhan : Abu Bakar Rayhan
বিটিআরসির নির্দেশে বন্ধ হয়ে গেলো ফ্রি ফেসবুক ব্যবহার - দৈনিক গ্রাম বাংলা    
শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর ২০২০, ১০:৩৬ অপরাহ্ন

বিটিআরসির নির্দেশে বন্ধ হয়ে গেলো ফ্রি ফেসবুক ব্যবহার

  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২০
  • ১০৪ বার পঠিত

গ্রামবাংলা ডেস্ক:

এখন থেকে আর ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বিনামূল্যে ব্যবহার করা যাবে না। ‘বিনামূল্যের অথবা আংশিক মূল্যের’ ডেটা প্যাকেজ বন্ধে মোবাইল ফোন অপারেটর ও ইন্টারনেট সেবাদানকারী কোম্পানিগুলোর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি।

বিটিআরসির এই নির্দেশনা পাওয়ার পর অপারেটররা তার বাস্তবায়ন শুরু করেছে। গত ১৪ জুলাই অপারেটরদের পাঠানো বিটিআরসির চিঠিতে বলা হয়, টেলিযোগাযোগ সেবাদাতা অপারেটরগুলো তাদের গ্রাহকদের আকৃষ্ট করতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সম্পর্কিত সেবা আংশিক ফ্রি বা কোনো কোনো ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ ফ্রি বা বিনামূল্যে দিয়ে বাজারে অসুস্থ প্রতিযোগিতা সৃষ্টি করছে।

এসব ফ্রি সেবা গ্রহণ করে কিছু অসাধু ব্যক্তি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা রকমের অপ্রয়োজনীয় অপরাধমূলক কার্যকলাপ পরিচালনা করে আসছে।

এতে বলা হয়, অপারেটরদের সকল গ্রাহকদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সম্পর্কিত সেবা ফ্রি বা বিনামূল্য দেওয়া থেকে বিরত থাকার জন্য এ নির্দেশনা দেওয়া হল।

দেশের চারটি মোবাইল অপারেটর বিভিন্ন ইন্টারনেট প্যাকেজে এ ধরনের সেবা দিয়ে থাকে। সব মিলিয়ে সাত থেকে আটটির বেশি এ ধরনের সেবা নেই। ফেইসবুক, ইমো, হোয়াটসঅ্যাপ, ভাইবারের মতো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কম দামে এসব ইন্টারনেট প্যাকেজ সেবা ছিল।

বিটিআরসির হিসাবে গত মে মাস নাগাদ দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১০ কোটি ২১ লাখ ১৩ হাজার, এর মধ্যে ৯ কোটি ৪০ লাখের বেশি গ্রাহক মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহার করে থাকেন।

আরো পড়ুন:

সরকারি সাত কলেজের সব পরীক্ষা বহুনির্বাচনী পদ্ধতিতে

গ্রামবাংলা ডেস্ক:

কভিড-১৯ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অধিভুক্ত সরকারি সাত কলেজের সব পরীক্ষা ওএমআর (অপটিক্যাল মার্ক রিডার) পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হবে।

সেশনজট এড়ানোর লক্ষ্যে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে কবি নজরুল সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ ও সাত কলেজের সমন্বয়ক (ফোকাল পয়েন্ট) অধ্যাপক আই কে সেলিম উল্লাহ খোন্দকার বলেন, করোনা পরবর্তী সময়ে দ্রুত সময়ের মধ্যে ফল প্রকাশ করার লক্ষ্যে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর সাত কলেজের পরীক্ষাগুলো ওএমআর পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত নেওয়া হবে। ওএমআর পদ্ধতি চালু হলে ফলাফল প্রকাশের সময় আগের চেয়ে দুই মাস কমে যাবে।

তিনি আরও বলেন, খাতা দেখা শেষ হলে ১০-১৫ দিনের মধ্যেই ফলাফল প্রকাশ করা সম্ভব হবে। ওএমআর পদ্ধতির খাতা ইতোমধ্যে আমরা কলেজে পেয়ে গেছি বলেও জানান তিনি।

প্রসঙ্গত, দ্রুত ফলাফল প্রকাশসহ পাঁচ দফা দাবিতে গত বছরের এপ্রিল মাসে আন্দোলন করে অধিভুক্ত সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে ওই বছরেরই ২৮ এপ্রিল ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপত ড. মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে এক সভায় পরবর্তী এক বছরের মধ্যে ওএমআর পদ্ধতি চালুর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..