1. a.hossainmcj@gmail.com : Akter Hossain : Akter Hossain
  2. Gram.bangla@yahoo.com : bigboss : Tanjim
  3. billal.mcj1@gmail.com : Billal Hosen : Billal Hosen
  4. mdkutubcou@gmail.com : গ্রাম বাংলা : গ্রাম বাংলা ডেস্ক
  5. sanymcj@gmail.com : GramBanglaBD : Gram Bangla
  6. muhaimin.mcj@yahoo.com : Gram Bangla : Muhaimin Noman
  7. mohiuddinrasel1922@gmail.com : Mohi Uddin Rasel : Mohi Uddin Rasel
  8. rayhan.mcj@gmail.com : Abu Bakar Rayhan : Abu Bakar Rayhan
বিদ্যুৎ নেপালের, কিনবে বাংলাদেশ, বেচবে ভারত - দৈনিক গ্রাম বাংলা    
শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২০, ১২:৩৫ পূর্বাহ্ন

বিদ্যুৎ নেপালের, কিনবে বাংলাদেশ, বেচবে ভারত

  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ২৪ জুলাই, ২০২০
  • ১০২ বার পঠিত

গ্রামবাংলা ডেস্ক;

ভারতের পাশাপাশি নেপাল থেকে বিদ্যুৎ আমদানি করার উদ্যোগ নেয় সরকার। নেপালও তাতে সাড়া দেয়। কিন্তু সরাসরি নেপালের কাছ থেকে বিদ্যুৎ কিনতে পারবে না বাংলাদেশ। ভারতীয় একটি কোম্পানির কাছ থেকে বাংলাদেশকে ওই বিদ্যুৎ ক্রয় করতে হবে।

সম্প্রতি বাংলাদেশ ও ভারতের কাছে বিদ্যুৎ বিক্রয়ের জন্য নেপালের বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষকে অনুমোদন দিয়েছে নেপালের সরকার।

কিন্তু কেন ভারতীয় কোম্পানির কাছ থেকে বিদ্যুৎ কিনতে হবে, নেপালের কাছ থেকে কেন সরাসরি বাংলাদেশ ওই বিদ্যুৎ কিনতে পারবে না তা নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এমন খবর প্রকাশ করেছে বিবিসি।

নেপালের সরকারের সিদ্ধান্ত মতে, দেশটিতে চাহিদা পূরণের পর যে পরিমাণ বিদ্যুৎ উদ্বৃত্ত থাকবে তা বাংলাদেশ ও ভারতের কাছে বিক্রি করতে পারবে নেপাল। চাহিদার চেয়ে উৎপাদন কম হলে এই দুটি দেশ থেকে বিদ্যুৎ কিনতেও পারবে নেপাল।

এ বিষয়ে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ জানান, ‘নেপাল থেকে বিদ্যুৎ কিনে বাংলাদেশের কাছে বিক্রি করবে ভারতীয় একটি কোম্পানি এমন একটি প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। নেপাল এবং জলবিদ্যুতের সম্ভাবনা বিশাল। এই জলবিদ্যুৎ নেবার জন্যই প্রধানমন্ত্রী বারবার বলেছেন। আমি নিজে গত বছর গিয়েছিলাম নেপালে এবং সেখানে আমাদের একটা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।’

জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, ‘ইতোমধ্যে আমরা একটি প্রক্রিয়ার মধ্যে আছি, ভারতের জিএমআর কোম্পানির কাছ থেকে নেপালের বিদ্যুৎ নেয়ার। সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। সরাসরি চুক্তি হচ্ছে জিএমআরের সাথে যে ওনারা বিদ্যুৎটা আনছেন নেপাল থেকে। তারা সঞ্চালন লাইন তৈরি করবে, আমরা সেখান থেকে বিদ্যুৎ নেবো।’

এ বিষয়ে ভোক্তা অধিকার বিষয়ক সংগঠন ক্যাবের জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা ড. শামসুল আলম বলেন, ‘ভারতের একটি ক্লজের কারণে বাংলাদেশ সেটা পারছে না। বিদ্যুতের আমদানি ব্যবসা ভারত তার একটি পলিসি দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করে রেখেছে। তাদের ক্লজ অনুযায়ী, দ্বিপাক্ষিক চুক্তির আওতাতেই শুধু বিদ্যুৎ ব্যবসা হতে পারবে। সেই কারণে নেপাল থেকে সরাসরি বিদ্যুৎ নিতে পারার সুবিধাটা বাংলাদেশ পায়নি।’

ভারতের সেভেন সিস্টার নামে পরিচিত রাজ্যগুলোতে বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে পণ্য পরিবহনে ভারত ২০১৬ সালে ট্রানজিট সুবিধা পায়। ২০১০ সাল থেকে কয়েক দফায় বিনাশুল্কে আশুগঞ্জ নৌ বন্দর ও আশুগঞ্জ-আখাউড়া প্রায় ৪৫ কিলোমিটার সড়ক ব্যবহার করে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ভারি মালামাল এবং খাদ্যশস্য ট্রানজিট করেছিল ভারত।

মাত্র দুদিন আগেই ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বন্দর ব্যবহারের সুবিধা দেয়ার ট্রান্সশিপমেন্ট চুক্তির প্রথম ভারতীয় পণ্যের জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে।

ড. শামসুল আলম বলেন, ‘এখানে দর কষাকষির সুযোগ ছিলো। আমরা যেসব সুবিধা ভারতকে দিয়েছি পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে, ট্যাক্স টোলের ব্যাপারে। তার বিনিময়ে ভারত বাংলাদেশের জন্য এই ক্লজ বাতিল করতে পারতো। যে অসম নিয়ন্ত্রণ পলিসি দ্বারা ভারত বিদ্যুৎ আমদানির উপরে আরোপ করেছে, আমি মনে করি বাংলাদেশের এটা নিয়ে কূটনৈতিক লড়াই করা উচিৎ।’

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের এখন প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ সঞ্চালনের জন্য খরচ হয় ২৯ পয়সা। তার মতে নেপাল থেকে বাংলাদেশ সরাসরি সঞ্চালন করে বিদ্যুৎ আনলেও এই জল বিদ্যুতের দাম যথেষ্ট কম থাকবে। এই সুবিধা না নিতে পারলে সেটি হবে বাংলাদেশের কূটনৈতিক ব্যর্থতা হবে বলেও মনে করেন তিনি।

এভাবে তৃতীয়পক্ষের কাছ থেকে বিদ্যুৎ ক্রয় করলে তার দাম বেশি হতে পারে বলে শঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞারা। এতে করে বাংলাদেশের কতটুকু লাভ হবে সে বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তারা।

তেল-গ্যাস-বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষার আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এম এম আকাশ। তিনি বলেন, ‘বিদ্যুৎ একটা পাবলিক গুডস। বাংলাদেশে এর দাম নিয়ন্ত্রিত হয় পাবলিক রেগুলেটরি কমিশন দ্বারা। এর জন্য গণশুনানি হয়। নেপালের ইলেক্ট্রিসিটি কোম্পানি পণ্যটি বিক্রি করবে ভারতীয় একটি কোম্পানির কাছে। সেই ভারতীয় ইলেক্ট্রিসিটি কোম্পানি আবার সেই পণ্যটি বিক্রি করবে আমাদের কাছে। সেখানে নিশ্চয়ই মুনাফার বিষয় থাকবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘এখানে দামের লজিকটা কাজ করবে নেপালের কোম্পানি যে দামে ভারতের কোম্পানির কাছে বিক্রি করবে তারা নিশ্চয়ই আমাদের কাছে আরো বেশি দামে বিক্রি করবে, তা না হলে মুনাফা কীভাবে হবে। যেহেতু বাণিজ্যিক লেনদেন হচ্ছে। সেজন্য বিষয়টি মুনাফা ভিত্তিক হয়ে যাবে।’

এছাড়াও দামের সঙ্গে ট্যাক্স ও টোল দিতে হবে। নেপাল ও ভারত থেকে বিদ্যুৎ সঞ্চালনের লাইনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ আনার জন্যে সঞ্চালন ফি সম্ভবত থাকতে পারে। সব মিলিয়ে সরাসরি নেপাল থেকে বিদ্যুৎ না আনলে বাংলাদেশের জন্য তা কতটা লাভজনক থাকবে সেই প্রশ্ন তুলছেন অধ্যাপক আকাশ।

আরও জানুন

এবার ফসল চাষ শিখতে বিদেশ যাবেন ৪০ কর্মকর্তা

ডেস্ক রিপোর্টঃ

তেলজাতীয় ফসলের চাষ শিখতে ও মৌ পালনে প্রশিক্ষণ নিতে বিদেশে যাবেন ৪০ কর্মকর্তা। এর মধ্যে তেলজাতীয় ফসলের চাষ শিখতে শিক্ষা সফরে যাবেন ৩৬ কর্মকর্তা। এই সফরের পেছনে ব্যয় হবে এক কোটি ৮০ লাখ টাকা। এ ছাড়া মৌ চাষের ওপর বিদেশে উচ্চতর প্রশিক্ষণ নেবেন আরও চার কর্মকর্তা।

এদের জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ২০ লাখ টাকা। সব মিলিয়ে ৪০ কর্মকর্তার বিদেশ ভ্রমণ বাবদ খরচ হবে ২ কোটি টাকা। মৌ চাষে উচ্চতর প্রশিক্ষণে বিদেশ সফরের ক্ষেত্রে ৩০ জন কর্মকর্তার প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল। কিন্তু পরিকল্পনা কমিশনের আপত্তির কারণে তা কমিয়ে চারজন করা হয়। সেই সঙ্গে পরামর্শকদের বিদেশে শিক্ষা সফরসহ বিভিন্ন খাতের ব্যয় বাদ দেয়া হয়েছে।

‘তেলজাতীয় ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি’ শীর্ষক প্রকল্পে ঘটেছে এমন ঘটনা। কৃষি মন্ত্রণালয়ের এ প্রকল্পটি গত ১৬ জুলাই অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। এটি বাস্তবায়নে ব্যয় হবে ২৭৮ কোটি ২৬ লাখ টাকা। একনেকের জন্য তৈরি প্রকল্পের সারসংক্ষেপ পর্যালোচনা করে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান বলেন, এত খুঁটিনাটি বিষয় দেখা আমার পক্ষে সম্ভব হয় না। তবে প্রকল্পটি অনুমোদন হলেও বিষয়টি দেখার সুযোগ আছে। আমি খতিয়ে দেখব। প্রয়োজনে প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলব।

এ প্রসঙ্গে বিশ্বব্যাংক ঢাকা অফিসের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেন,কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে বর্তমানে রাজস্ব আদায় ব্যাপক হারে কমে গেছে। উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে অর্থের যথেষ্ট সংকট রয়েছে। সরকার ইতেমধ্যে কৃচ্ছ সাধনের জন্য বিভিন্নভাবে খরচ কমানোর উদ্যোগও নিয়েছে। সেখানে এরকম একটি প্রকল্পে বিদেশ সফরের আয়োজন কেন রাখতে হবে সেটিই বড় প্রশ্ন। তাছাড়া উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় বিদেশ ভ্রমণ এখন যেন একটি অপরিহার্য অংশে পরিণত হয়েছে। এই সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।

সূত্র জানায়, প্রকল্পটির প্রস্তাব পাওয়ার পর গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় বলা হয়, ডিপিপিতে (উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব) প্রস্তাবিত মৌ পালনের ওপর কর্মকর্তাদের সার্টিফিকেট কোর্সের সংখ্যা দুই ব্যাচ থেকে যৌক্তিকভাবে বাড়ানো যেতে পারে। তবে এ বিষয়ে বিদেশে উচ্চতর প্রশিক্ষণের সংখ্যা ৩০ জন থেকে কমিয়ে ৪ জন করতে হবে। পরবর্তী সময়ে সেটি মেনে নেয় কৃষি মন্ত্রণালয়।

এ ছাড়া প্রকল্পে প্রস্তাবিত ভিডিও ক্যামেরা, ডিএসএলআর ক্যামেরা, পরামর্শকদের বিদেশে শিক্ষা সফর, আনুষঙ্গিক ব্যয়, প্রতিটি উপজেলায় উপ-পরিচালক কর্তৃক বছর শেষে মেন্টরিং ও ফলোআপ আলোচনা, আঞ্চলিক ও জেলা মনিটরিং টিম গঠন করে ডিএইর কার্যক্রম মনিটরিংয়ের প্রস্তাব বাদ দেয়ার পক্ষে মত দেয় পরিকল্পনা কমিশন।

সেই সঙ্গে অর্থ বিভাগের জনবল কমিটির সুপারিশ না থাকায় প্রস্তাবিত ২৫টি যানবাহন ক্রয়ের প্রস্তাবও ডিপিপি থেকে বাদ দিতে বলা হয়। পরিকল্পনা কমিশনের সুপারিশ মেনে মূল প্রকল্প প্রস্তাবে এসব বাদ দিয়ে ডিপিপি সংশোধন করে কৃষি মন্ত্রণালয়। তারপরও মোট ৪০ কর্মকর্তার বিদেশ সফরের আয়োজন রয়েছে।

পিইসি সভায় ডিপিপিতে প্রস্তাবিত এলাকা ডিএইর ১৪টি অঞ্চল অপরিবর্তিত রেখে ৬৪টি জেলার ৪৭৬টি উপজেলার পরিবর্তে সম্ভাবনাময় ২৫০টি উপজেলায় বাস্তবায়নের সুপারিশ করা হয়।

এই পরিপ্রেক্ষিতে ডিপিপিতে প্রস্তাবিত ডেক্সটপ কম্পিউটার, ল্যাপটপ, মাল্টিমিডিয়া, ফটোকপিয়ার, এয়ারকুলার, ওয়াটার ফিল্টার, ভ্রমণ ব্যয়, স্টেশনারি, সিল ও স্ট্যাম্পস, প্রচার ও বিজ্ঞাপন, অডিও/ভিডিও/ডকুমেন্টেশন এবং মুদ্রিত ও প্রকাশনা বাবদ প্রস্তাবিত ব্যয়সহ যন্ত্রপাতি ও ইকুইপমেন্টের সংখ্যা, মূল্য ও ব্যয় যৌক্তিক পর্যায়ে হ্রাস করে নির্ধারণ করতে বলে পরিকল্পনা কমিশন।

চলতি বছর থেকে ২০২৪ সালের জুনের মধ্যে এটি বাস্তবায়ন করবে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের নেতৃত্বে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট, বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট এবং বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন।

প্রকল্পের আওতায় প্রধান কার্যক্রম হচ্ছে, ক্রপিং প্যাটার্নভিত্তিক তেলজাতীয় ফসল আবাদের জন্য ৪০ হাজারটি প্রদর্শনী ক্ষেত স্থাপন করা হবে।

এ ছাড়া প্রদর্শনী বাস্তবায়নের পরবর্তী বছরে অভিযোজনের জন্য গবেষণা প্রতিষ্ঠানের প্রমাণিত উন্নত জাতের ৪ লাখ ২০ হাজার ৭৪৮ কেজি বীজ বিতরণ। তেলবীজ ফসলের প্রজনন ও মানসম্মত বীজ উৎপাদন ও বিতরণ।

জাতীয় উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য বিদ্যমান অবকাঠামোতে গুণগত মানসম্পন্ন ৮৪১ দশমিক ৫৩ টন বোরো, আউশ ধান বীজ ও পাট বীজসহ ২১০ টন মসুর বীজ ও তৈলবীজ উৎপাদন। এ ছাড়া রয়েছে কৃষক প্রশিক্ষণ, কৃষি কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ, মাঠ দিবস এবং কৃষক উদ্বুদ্ধকরণ।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..