1. a.hossainmcj@gmail.com : Akter Hossain : Akter Hossain
  2. Gram.bangla@yahoo.com : bigboss : Tanjim
  3. billal.mcj1@gmail.com : Billal Hosen : Billal Hosen
  4. mdkutubcou@gmail.com : MD Kutub Uddin : MD Kutub Uddin
  5. sanymcj@gmail.com : GramBanglaBD : Gram Bangla
  6. muhaimin.mcj@yahoo.com : Muhaimin Noman : Muhaimin Noman
  7. mohiuddinrasel1922@gmail.com : Mohi Uddin Rasel : Mohi Uddin Rasel
  8. rayhan.mcj@gmail.com : Abu Bakar Rayhan : Abu Bakar Rayhan
মেস ভাড়া না দেয়ায় শিক্ষার্থীর রুমে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকের তালা - দৈনিক গ্রাম বাংলা    
রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২০, ০৭:৫০ অপরাহ্ন

মেস ভাড়া না দেয়ায় শিক্ষার্থীর রুমে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকের তালা

  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২৭ জুন, ২০২০
  • ৭৫ বার পঠিত

শিক্ষা ডেস্কঃ

করোনার কারণে মেস ভাড়া নিয়ে বিপাকে পড়েছে সারা দেশের শিক্ষার্থীরা। অর্থনৈতিক সংকটের কারণে মেস ছাড়তে গিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকের বাধার মুখে পড়েছেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ফোকলোর বিভাগের শিক্ষার্থী মজনু।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার অনিশ্চয়তায় মেস ছাড়তে গত বৃহস্পতিবার বগুড়া থেকে ময়মনসিংহের ত্রিশালে আসেন সেই শিক্ষার্থী। তাৎক্ষণিক ভাড়া দিতে না পারায় মেসে প্রবেশ করতে দেননি তারই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও ত্রিশালের ক্ষণিকা ছাত্রাবাসের মালিক ড. মো. সাইফুল ইসলাম।

এছাড়া গত চার মাসের ভাড়া পরিশোধ করতে না পারলে মেসে ঢুকতে না দেয়ার জন্য মেসের কেয়ারটেকারকে নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানান অভিযোগকারী শিক্ষার্থী। কথার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন মেসের কেয়ারটেকার আব্দুল আজিজ।
মেস মালিক ড. মো. সাইফুল ইসলামকে ফোন দিয়ে অর্থনৈতিক সমস্যার কারণে শিক্ষার্থী মেস ছাড়ার কথা বললে শিক্ষক বলেন, ‘পুরো টাকা পরিশোধ করে জিনিস নিয়ে যাও তার আগে নয়। ’

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, স্থানীয় প্রশাসন ও মেস মালিকদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৩৩ শতাংশ ভাড়া মওকুফের কথা বললে তিনি জানান, এটা কোনও ভাবে সম্ভব নয়। আমি তোমায় পরে জানাবো। মালিককে (শিক্ষক) না জানিয়ে রাতে কেয়ারটেকার শিক্ষার্থী মজনুকে থাকতে দেন। পরে মজনু নামের শিক্ষার্থী পরদিন ২৬ জুন বিকাশে টাকা উত্তোলন করতে গেলে মেস মালিক সেই তালা পরিবর্তন করে ফেলেন।

পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. উজ্জ্বল কুমার প্রধানের মধ্যস্থতায় ঐ শিক্ষার্থী ৬৭ শতাংশ ভাড়া পরিশোধ করে মেস ছেড়ে দেন।
শিক্ষকের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগের বিষয়ে ফোনে জানতে চাইলে ফোকলোর বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক ড. মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, আমি বাইরে এই নিয়ে এখন কথা বলতে পারবো না। পরবর্তীতে আবার ফোনে জানতে চাইলেও তিনি এড়িয়ে যান।

প্রক্টর ড. উজ্জ্বল কুমার প্রধান বলেন, আমি অভিযোগকারী শিক্ষার্থীকে বলেছি নোটিশ মোতাবেক ৬৭ শতাংশ ভাড়া পরিশোধ করে মেস ছেড়ে দিতে।

শিক্ষকের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ‘যদি এমন ঘটনা ঘটে থাকে তা লজ্জার ও নিন্দনীয়। অফিসিয়ালি কেউ অভিযোগ করলে আমাদের সংগঠনের ফোরামে আলোচনা করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..