1. a.hossainmcj@gmail.com : Akter Hossain : Akter Hossain
  2. Gram.bangla@yahoo.com : bigboss : Tanjim
  3. billal.mcj1@gmail.com : Billal Hosen : Billal Hosen
  4. mdkutubcou@gmail.com : MD Kutub Uddin : MD Kutub Uddin
  5. sanymcj@gmail.com : Nazymul Sany : Nazymul Sany
  6. muhaimin.mcj@yahoo.com : Muhaimin Noman : Muhaimin Noman
  7. mohiuddinrasel1922@gmail.com : Mohi Uddin Rasel : Mohi Uddin Rasel
  8. rayhan.mcj@gmail.com : Abu Bakar Rayhan : Abu Bakar Rayhan
রোজা ভেঙে রক্ত দিয়ে হিন্দুকে বাঁচালেন মুসলিম নারী - দৈনিক গ্রাম বাংলা
মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২০, ০৩:৪০ পূর্বাহ্ন

রোজা ভেঙে রক্ত দিয়ে হিন্দুকে বাঁচালেন মুসলিম নারী

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২০
  • ২২৩ বার পঠিত
ছবিঃ সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

করোনার সময়ে ভারতে দেখা গেল এক সম্প্রীতির ছবি। রোজা ভেঙে এক হিন্দু নারীকে রক্ত দিলেন মুসলিম নারী। ঘটনাটি ঘটে নদিয়ার রানাঘাটে।

রক্ত নেয়া হিন্দু নারী জোৎস্নাদেবীর বাড়ি ভারতের রানাঘাট থানার অন্তর্গত ডিসপেন্সারি লেনে। কয়েক মাস তিনি কিডনির রোগে আক্রান্ত। মাসে তিন বার তাকে ডায়ালাইসিস করতে হয়। দু’মাস আগে বাড়িতেই পড়ে গিয়ে মাথায় চোট পান।

কয়দিন যাবৎ জোৎস্নাদেবীর শরীরের অবস্থা যথেষ্টই সংকটজনক হয়ে যায়। তখন তাকে একটি বেসরকারি নার্সিং হোমে ভর্তি করানো হয়।
নার্সিং হোমে ভর্তি করার পরই চিকিৎসকরা জানান, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব জোৎস্নাকে রক্ত দিতে হবে।

রক্তের গ্রুপ O+। করোনার কারণে রাজ্যজুড়ে বিভিন্ন হাসপাতাল ও ব্লাড ব্যাঙ্কে রক্তের সংকট। মায়ের রক্ত জোগাড় করতে গিয়ে হিমশিম খেতে হয় জোৎস্নাদেবীর মেয়ে বিশাখা পান্ডেকে। বিভিন্ন জায়গায় রক্তের জন্য হন্যে হয়ে ঘুরে লকডাউনের সময় মায়ের জন্য রক্ত জোগাড় করতে পারেননি তার মেয়ে।

এই অবস্থায় একটি সংগঠনের সন্ধান পান জোৎস্নাদেবীর মেয়ে। কোন জায়গায় রক্ত না পেয়ে ওই সংগঠনটির কাছে মায়ের 0+ রক্তের জন্য লিখিত আবেদন করেন জোৎস্নাদেবীর মেয়ে। সেই সংগঠনের সদস্য রুম্পা খোন্দকার। রানাঘাট থানার কামারপাড়ায় তার বাড়ি। রক্তের জন্য মায়ের মত এক বৃদ্ধার প্রাণ সংশয় জানতে পেরেই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন রুম্পা। তার রক্তের গ্রুপের সঙ্গে জোৎস্নাদেবীর রক্তের গ্রুপ মিলে যাওয়াতে তিনি নিজেই রক্ত দেন। রোজা ভেঙে সংকটজনক জোৎস্না রায়কে রক্ত দিলেন মুসলিম গৃহবধূ রুম্পা।

রানাঘাট হাসপাতালের বিছানায় শুয়েই রক্ত দিতে দিতে রুম্পা জানান, ‘রক্তের রং একটাই লাল। মানুষের প্রাণ বাঁচাতে হিন্দু বা মুসলিম এই ভেদাভেদ উচিত নয়। রোজা আগামী বছরও করতে পারব। ‘

পাশাপাশি মায়ের প্রাণ বাঁচানোর পর রুম্পা খোন্দকারকে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে  জোৎস্না রায়ের মেয়ে বিশাখা পান্ডে জানান, ‘রক্তের কোনও ধর্ম বা জাত হয় না। রুম্পা আজ সেটা প্রমাণ করে যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন এটা সব ধর্মের মানুষকে সঠিক দিশা দেখাবে। ‘

সূত্র: জি-নিউজ

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..
© All rights reserved © 2020 GramBanglaBD

powered by Otho Software