1. a.hossainmcj@gmail.com : Akter Hossain : Akter Hossain
  2. Gram.bangla@yahoo.com : bigboss : Tanjim
  3. billal.mcj1@gmail.com : Billal Hosen : Billal Hosen
  4. mdkutubcou@gmail.com : গ্রাম বাংলা : গ্রাম বাংলা ডেস্ক
  5. sanymcj@gmail.com : GramBanglaBD : Gram Bangla
  6. muhaimin.mcj@yahoo.com : Gram Bangla : Muhaimin Noman
  7. mohiuddinrasel1922@gmail.com : Mohi Uddin Rasel : Mohi Uddin Rasel
  8. rayhan.mcj@gmail.com : Abu Bakar Rayhan : Abu Bakar Rayhan
সৌদি আরবসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ঈদুল আজহা উদযাপিত হচ্ছে আজ - দৈনিক গ্রাম বাংলা    
শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২০, ১২:২২ পূর্বাহ্ন

সৌদি আরবসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ঈদুল আজহা উদযাপিত হচ্ছে আজ

  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২০
  • ১১৪ বার পঠিত

আন্তর্জাতিক:

সৌদি আরবসহ বিশ্বের বেশিরভাগ দেশে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হচ্ছে আজ। করোনা মহামারির কারণে এ বছর ঈদগাহের পরিবর্তে মসজিদেই নামাজ আদায়ের নির্দেশনা দিয়েছে অনেক দেশ।

সবচেয়ে বড় মুসলিম দেশে ইন্দোনেশিয়াতে, জাকার্তার আল-আজহার মসজিদে অনুষ্ঠিত হয় প্রধান ঈদ জামাত। নামাজ শেষে, আল্লাহ্’র সন্তুষ্টি লাভের আশায় পশু কোরবানি করবেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা।

এদিকে, পবিত্র হজের নিয়ম অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার মুজদালিফায় রাত কাটানোর পর আজ ফজরের নামাজের পর মিনায় ফিরে শয়তানের প্রতীকে পাথর নিক্ষেপ করেন হাজিরা। আল্লাহ্’র সন্তুষ্টি লাভের আশায় আজ পশু কোরবানি দেবেন তারা।

ফিলিপাইন-মালয়েশিয়াতেও ঈদ উদযাপিত হচ্ছে আজ। মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ আর আফ্রিকার দেশগুলোতেও ঈদ পালিত হচ্ছে আজ। মুসলিম সম্প্রদায়কে শুভেচ্ছা বার্তা দিয়েছেন বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রনেতা ও সরকার প্রধান।

আরও পড়ুন

হাজীদের দোয়া ও জিকিরে মুখরিত আরাফাতের ময়দান

ধর্ম ডেস্ক

আজ পবিত্র হজ। সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত আরাফাতের ময়দানে অবস্থান করবেন হাজীরা। আরাফাতের ময়দানে উপস্থিত হওয়া হজের অন্যতম ফরজ। হাজীরা আজ সূর্যাস্ত পর্যন্ত ঐতিহাসিক এই ময়দানে অবস্থান করে আল্লাহর জিকিরসহ অন্যান্য ইবাদতে মশগুল থাকবেন।

করোনাভাইরাস মহামারির কারণে কঠোর নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত পরিসরে এক ভিন্ন আবহে পালিত হচ্ছে এবারের হজ। প্রতিবছর যেখানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ২০-২৫ লাখ মুসলমান এসে হজ পালন করে থাকেন, এবার সেখানে সৌদি আরবে অবস্থানরত মাত্র ১০ হাজার মানুষ এই সুযোগ পাচ্ছেন।

এদিকে প্রতি ৫০ জন হাজীর জন্য দেওয়া হচ্ছে একজন চিকিৎসক।এবারের এমন পরিস্থিতির জন্য সৌদি সরকার এমন ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

দুই মাইল দৈর্ঘ্য ও দুই মাইল প্রস্থের বিরাট সমতল ময়দানের নাম আরাফাত। এর তিন দিক পাহাড়বেষ্টিত। জাবাল মানে পাহাড়। জাবালে রহমত হলো রহমতের পাহাড়। বলা হয়ে থাকে, এই পাহাড়ে হজরত আদম (আ.) ও হজরত হাওয়া (আ.)-এর দেখা হয়েছিল। হজরত মুহাম্মদ (সা.) জাবালে রহমত পাহাড়ের কাছে দাঁড়িয়ে বিদায় হজের ভাষণ দিয়েছিলেন। এই পাহাড়ে একটি উঁচু পিলার আছে। একে কেউ কেউ দোয়ার পাহাড়ও বলেন।

আজ আরাফাতের ময়দানে খুতবার পর একসঙ্গে জোহর ও আসরের নামাজ আদায় করবেন হাজীরা। আরাফাতের ময়দানে মসজিদে নামিরাহ থেকে হজের খুতবা দেওয়া হবে। এই বছর খুতবা দেবেন শায়খ আবদুল্লাহ বিন সোলায়মান আল মানিয়া। অন্যান্য কয়েকটি ভাষার সঙ্গে বাংলায়ও খুতবা প্রচারিত হবে।

হাজীরা আজ সূর্যাস্ত পর্যন্ত আরাফাতে অবস্থানের পর মুজদালিফায় গিয়ে একসঙ্গে মাগরিব ও এশার নামাজ আদায় করবেন। রাতে সেখানে অবস্থান করবেন খোলা মাঠে। শয়তানের প্রতিকৃতিতে পাথর নিক্ষেপের জন্য প্রয়োজনীয় পাথর সংগ্রহ করবেন সেখান থেকে।

এবার জীবাণুনাশক দিয়ে পরিষ্কার করা পাথর সরবরাহ করা হবে হাজীদের। মুজদালিফায় ফজরের নামাজ আদায় করে হাজিরা ফিরবেন মিনায়। মিনায় বড় শয়তানকে সাতটি পাথর মারার পর পশু কোরবানি দিয়ে মাথার চুল ছেঁটে (ন্যাড়া করে) গোসল করবেন। সেলাইবিহীন দুই টুকরা কাপড় বদল করবেন।

এরপর স্বাভাবিক পোশাক পরে মিনা থেকে মক্কায় গিয়ে পবিত্র কাবা শরিফ সাতবার তাওয়াফ করবেন। কাবার সামনের দুই পাহাড় সাফা ও মারওয়ায় সাঈ (সাতবার দৌড়াবেন) করবেন।

সেখান থেকে তাঁরা আবার মিনায় যাবেন। মিনায় যত দিন থাকবেন, তত দিন তিনটি (বড়, মধ্যম, ছোট) শয়তানকে ২১টি পাথর নিক্ষেপ করবেন।
আবার মক্কায় বিদায়ি তাওয়াফ করার পর হাজীরা নিজ নিজ গৃহে ফিরবেন।

জামারায় শয়তানের প্রতিকৃতিতে পাথর নিক্ষেপের পর হাজিদের পশু কোরবানি দিতে হয়। বেশির ভাগ হাজী নিজে বা বিশ্বস্ত লোক দিয়ে মুস্তাহালাকায় (পশুর হাট ও জবাই করার স্থান) গিয়ে কোরবানি দেবেন।

আরও পড়ুন

রবের অনুগ্রহের আশায় আরাফাত ময়দানে সমবেত হচ্ছেন হাজিরা

ধর্ম ডেস্ক:

করোনা ভাইরাসের মহামারি পরিস্থিতিতে সৌদি আরবে সীমিত পরিসরে শুরু হওয়া হজের অংশ হিসেবে আরাফাত ময়দানে সমবেত হচ্ছেন হাজিরা। এবারের হজে সুযোগ পাওয়া ১০ হাজার হাজি বৃহস্পতিবার এই পবিত্র ময়দানে সমবেত হচ্ছেন।

মুসল্লিদের দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ, রহমত প্রাপ্তি ও নিজেদের গোনাহ মাফের জন্য আল্লাহ তাআলার দরবারে অশ্রুসিক্ত নয়নে ফরিয়াদ জানাবে সমবেত ধর্মপ্রাণ মুসলমান। সব হাজির কণ্ঠে থাকবে একই ধ্বনি- ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক, লাব্বাইকা লা শারিকা লাকা লাব্বাইক, ইন্নাল হামদা ওয়ান-নিমাতা লাকা ওয়াল মুলক’। এদিকে আরাফাত ময়দানে হাজিদের স্বাগত জানানোর সব প্রস্তুতি শেষ করেছে সৌদি কর্তৃপক্ষ।

জানা গেছে, হাজিদের জন্য পর্যাপ্ত স্বাস্থ্য সেবার ব্যবস্থা রেখেছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। অতিরিক্ত গরমজনিত অসুস্থতায় আক্রান্তদের চিকিৎসার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। আরাফাত ও মুজদালিফা থেকে হাজিরা চলে যাওয়ার আগ পর্যন্ত এসব জায়গায় থাকবে ভ্রাম্যমাণ হাসপাতালও। করোনায় আক্রান্ত হয়ে পড়াদের জরুরিভিত্তিতে আলাদা করে ফেলার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। তবে হজে পর্যন্ত কোনো করোনা রোগী শনাক্ত হয়নি বলে জানিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ।

সৌদি কর্তৃপক্ষের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে এবারে আরাফাত ময়দানে খুতবা দেবেন শেখ আবদুল্লাহ বিন সুলাইমান আল-মানিয়া।

হজে অংশ নেওয়া হামিদে হালিমি নামে এক নারী হাজি আরব টাইমসকে বলেন, সৌদি আরবে আসার পর থেকেই হজ পালনের স্বপ্ন দেখেছি, আর শেষ পর্যন্ত তা সত্যি হচ্ছে। আমার দলে ২০ জনের মতো নারী রয়েছে। আর শুরু থেকেই নারীদের সঙ্গেই থেকেছি। হোটেল থেকে মিকাত ও হারাম পর্যন্ত সব জায়গায় আমরা নারীরা এক সঙ্গেই ছিলাম।

এমনকি যেসব নারী স্বামীদের সঙ্গে এনেছেন তাদেরও নারীদের সঙ্গে রেখেছেন। এখানে একটি চমৎকার বোনসুলভ অভিজ্ঞতা হয়েছে। তিনি জানান হাজিরা প্রত্যেকেই দুরত্ব মেনে চলা সংক্রান্ত নির্দেশনা মেনে চলছেন।

হজের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধাপ আরাফাত ময়দানে সমবেত হওয়া। আগের দিন মিনায় রাত্রি যাপনের পর জিলহজ্ব মাসের নয় তারিখের সকাল থেকেই আরাফাত ময়দানে জড়ো হতে শুরু করেন মুসল্লিরা।

মিনা থেকে ১০ কিলোমিটার হেঁটে এখানে যেতে হয়। আরাফাতের ময়দানে উপস্থিত হয়ে ক্ষমা প্রার্থনা ও ইবাদত-বন্দেগি চলবে সূর্য ডোবার আগ পর্যন্ত। সূর্যাস্তের পর হাজিরা মাগরিবের নামাজ আদায় না করেই আরাফাতের ময়দান থেকে রওনা দেবেন মুজদালিফার দিকে।

সেখানে পৌঁছে মাগরিব ও এশার নামাজ একসঙ্গে আদায় করবেন। খোলা আকাশের নিচে রাত যাপন করবেন হাজিরা। তারপর মিনার জামারায় (প্রতীকী) শয়তানকে নিক্ষেপের জন্য পাথর সংগ্রহ করবেন।

পরদিন (শুক্রবার) সকালে ফজরের নামাজ শেষে হাজিরা আবার ফিরে আসবেন মিনায়। জামারাতে পাথর নিক্ষেপ ও পশু কোরবানির পর পুরুষরা মাথা মুণ্ডন করে ইহরাম ত্যাগ করবেন। এরপর পবিত্র কাবা শরিফে বিদায়ী তাওয়াফ করে হজের পূর্ণ আনুষ্ঠানিকতা শেষ করবেন হাজিরা। আরব নিউজ।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..