1. a.hossainmcj@gmail.com : Akter Hossain : Akter Hossain
  2. Gram.bangla@yahoo.com : bigboss : Tanjim
  3. billal.mcj1@gmail.com : Billal Hosen : Billal Hosen
  4. mdkutubcou@gmail.com : গ্রাম বাংলা : গ্রাম বাংলা ডেস্ক
  5. sanymcj@gmail.com : GramBanglaBD : Gram Bangla
  6. muhaimin.mcj@yahoo.com : Gram Bangla : Muhaimin Noman
  7. mohiuddinrasel1922@gmail.com : Mohi Uddin Rasel : Mohi Uddin Rasel
  8. rayhan.mcj@gmail.com : Abu Bakar Rayhan : Abu Bakar Rayhan
হারিয়ে যাচ্ছে ঐহিত্যবাহী বাঁশ ও বেত শিল্প - দৈনিক গ্রাম বাংলা    
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২০, ০৭:২৯ পূর্বাহ্ন

হারিয়ে যাচ্ছে ঐহিত্যবাহী বাঁশ ও বেত শিল্প

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১১ ফেব্রুয়ারী, ২০২০
  • ১৯৯ বার পঠিত
বাঁশ ও বেতের তৈরিসামগ্রী

প্লাস্টিক, মেলামাইন ও স্টিলের তৈরি পণ্যের দাপটে হারিয়ে যাচ্ছে বাঁশ ও বেতের তৈরি বিভিন্ন পণ্য সামগ্রী। এসব পেশার সঙ্গে জড়িত মানুষগুলোকে আর্থিক সংকটের মধ্যে দিয়ে জীবন-যাপন করছে।

বাংলাদেশের প্রায় অনেক জায়গায়ই এই শিল্পের প্রচলন ছিলো। বর্তমানে তা হারিয়ে যেতে বসেছে। দক্ষিনাঞ্চলের পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার প্রায় ৫ শতাধিক মানুষ বাঁশ-বেত শিল্পের কারিগর। নিজ পেশায় টিকতে না পেরে এখন ভিন্ন পেশার দিকে ঝুঁকছেন তারা। স্বল্পপুঁজি, আর্থিক টানাপোড়ন, বাঁশ ও বেতের উৎপাদন হ্রাস, উপকরণের অভাবেই এখন বিলুপ্তির পথে ঐহিত্যবাহী বাঁশ ও বেত শিল্প।

বাঁশের তৈরি কুলা, ঝুড়ি, চাটাই, হাঁস মুরগির খাঁচা, ঘাড়া, বেতের চেয়ার, ধামা, চালুনি, ঢুলি, খলাই, বুরং, হাত পাখার একসময় দেশেজুড়ে ব্যাপক প্রচলন ছিল। কিন্তু বর্তমান বাজারে প্লাস্টিক, মেলামাইন ও স্টিলের তৈরি সামগ্রীর চাহিদা বেড়ে যাওয়ায়, বাঁশ ও মাটির তৈরি জিনিষগুলো বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে।

বেতাগী সানকিপুর ইউপির ঠাকুরের হাট গ্রামের গনেশ চন্দ্র হাওলাদার জানান, একসময় আমার কাছে ১০ থেকে ১২ জন করে বাঁশ ও বেত শিল্পের কারিগর ছিলো। তখন তাদের জন প্রতি বেতন ছিল প্রতিদিন ২শ’ থেকে ২শ’৫০ টাকা। অথচ এখন সে কারিগরদের বেতন দিতে হয় ৪শ’ থেকে ৫শ’ টাকা। তাও আবার  সিজনের সময় তাদের পাওয়া যায় না।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ্ মো. রফিকুল ইসলাম জানান, ক্ষুদ্র শিল্প ও কুটির শিল্পের সঙ্গে যারা জড়িত রয়েছেন তাদের যদি ঋণ এর প্রয়োজন হয়। তাহলে সহজ শর্তে তাদের জন্য থেকে ব্যাংক ঋণ এর ব্যবস্থা করব, যাতে তাদের আত্মসামাজিক উন্নয়ন ঘটে।

 

এমএন

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..