1. a.hossainmcj@gmail.com : Akter Hossain : Akter Hossain
  2. Gram.bangla@yahoo.com : bigboss : Tanjim
  3. billal.mcj1@gmail.com : Billal Hosen : Billal Hosen
  4. mdkutubcou@gmail.com : গ্রাম বাংলা : গ্রাম বাংলা ডেস্ক
  5. sanymcj@gmail.com : GramBanglaBD : Gram Bangla
  6. muhaimin.mcj@yahoo.com : Muhaimin Noman : Muhaimin Noman
  7. mohiuddinrasel1922@gmail.com : Mohi Uddin Rasel : Mohi Uddin Rasel
  8. rayhan.mcj@gmail.com : Abu Bakar Rayhan : Abu Bakar Rayhan
৮ মিনিট ৪৬ সেকেন্ড! - দৈনিক গ্রাম বাংলা    
সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২০, ১১:৩০ পূর্বাহ্ন

৮ মিনিট ৪৬ সেকেন্ড!

  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১ জুন, ২০২০
  • ৫৬৮ বার পঠিত

বিশ্ব ডেস্ক:

হঠাৎ কেন যুক্তরাষ্ট্রে বর্ণবাদ বেড়ে গেলো?

সারা পৃথিবী যখন নভেল করোনা ভাইরাস রোধে প্রাণপণ চেষ্টা চালাচ্ছে এমন সময় আমেরিকার ওয়াশিংটনে বর্ণবাদ বিরোধী বিক্ষোভ চলছে। টানা ছয় দিন বিক্ষোভ করছে কৃষ্ণাঙ্গরা।

কেন তারা বিক্ষোভ করছে?

গেলো সপ্তাহে মিনেসোটা রাজ্যের মিনিয়াপোলিশ শহরে এক ট্রাফিক পুলিশ হাটুর নিচে চেপে ধরে জর্জ ফ্লয়েড নামক এক আফ্রিকান-আমেরিকান কৃষ্ণাঙ্গকে হত্যা করেছে। এ নিয়ে শুরু হয়েছে তুমুল আন্দোলন। এ বর্ণবাদ আন্দোলন যুক্তরাষ্ট্রে নতুন নয়। কিন্তু তা পুনরায় বাড়ছে। আন্দোলন মিনেসোটা প্রদেশে থেমে নেই। অন্তত ১২ শহর পর্যন্ত গড়িয়েছে। চলছে তুমুল আন্দোলন। বিক্ষোভকারী নানান প্লেকার্ড প্রদর্শন করছে। কোথায় গিয়ে থামবে এ আন্দোলন তা জানে না কেউ। হোয়াইট হাউজের আশপাশেও চলছে এ বিক্ষোভ!

৮ মিনিট ৪৬ সেকেন্ড কী?

গত ২৫ মে জর্জ ফ্লয়েড মিনেসোটা প্রদেশের মিনিয়াপোলিশ শহরের এ রাস্তা দিয়ে হেটে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে এক ট্রাফিক পুলিশের সাথে বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে তাকে বেঁধে ফেলা হয়। পুলিশ ফ্লয়েডকে মাটিতে উপোড় করে ফেলে হাটু চাপ দিয়ে ঘাড়ের উপর দীর্ঘ ৮ মিনিট ৪৬ সেকেন্ড চেপে ধরে। এমন সময় ফ্লয়ে কয়েক বার ‘আমি নিঃশ্বাস নিতে পারছি না’ বললেও ছাড়েনি। পরে মারা যান ফ্লয়েড। ধারণা করা হচ্ছে ফ্লয়েড কৃষ্ণাঙ্গ হওয়ার কারণে এমন নির্মম ঘটনা ঘটেছে তাঁর সাথে।

এ ভিডিওটি খুব দ্রুত সামাজিক যোগাযো মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। ভাইরাল হওয়ার সাথে সাথেই কৃষ্ণাঙ্গরা বিক্ষোভে ফেটে পড়ে।

বিক্ষোভ ঠেকাতে কার্ফিউ?

বিক্ষোভ ঠেকাতে প্রায় ১২ টি বড় বড় শহরে কার্ফিউ জারি করা হয়েছে। বিক্ষোভ ঠেকাতে পুলিশ কাঁদুনে গ্যাস নিক্ষেপ করছে। ব্যারিকেড দিচ্ছে। তারপরও টানা ছয় দিন চলছে বিক্ষোভ। বিক্ষোভের মাত্রা ছড়িয়ে পড়ছে অন্যান্য রাজ্যেও।

সূত্র: নিউ ইয়র্ক টাইমস, বিবিসি, রয়টার্স।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..